পিএসসি’র লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান-২০২৩

0
112

পিএসসি’র লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান-২০২৩

পদের নামঃ- সহকারি সাইফার কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড)

পরীক্ষার তারিখঃ- ০৮-০২-২০২৩

বাংলা প্রশ্ন সমাধানঃ-

১. বাংলাদেশের কৃষিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রয়োগ বিষয়ে একটি প্রবন্ধ লিখুন।

উত্তর:

ভূমিকাঃ-

কৃষি অর্থনীতি উন্নয়নের বিজ্ঞান অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ কৃষি উদ্ধৃত্তের ক্রমাগত স্তর প্রযুক্তিগত এবং বাণিজ্যিক বদ্ধির অন্যতম উত্স । কৃষিকাজে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি দিন দিন মজবুত হচ্ছে। বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের এই অগ্রগতিকে টেকসই করতে প্রয়োজন কৃষি সংক্রান্ত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে সহজলভ্য করা। কৃষি বিজ্ঞান হল কৃষিক্ষেত্রের সাথে জড়িত অনুশীলনের অধ্যয়ন। কৃষি বিজ্ঞান এবং কৃষি, একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হলেও, মূলত একে অপরের থেকে খুব আলাদা । কৃষি হল মানুষের ব্যবহারের জন্য গাছপালা, ফল ও সবজি উত্পাদনের শিল্প । অন্যদিকে কৃষি বিজ্ঞান সেচ ব্যবস্থাপনা , কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদির মতো উৎপাদন কৌশলগুলিতে গবেষণা , উন্নতি এবং উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে। এতে কৃষি পণ্যের গুণমান এবং পরিমাণের উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াগুলি অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।

কৃষি বিজ্ঞানঃ-

কৃষি বিজ্ঞান কৃষি কাজের প্রাথমিক পণ্যগুলিকে সমাপ্ত, ব্যবহার-প্রস্তুত পণ্যে রূপান্তর করার সাথে সম্পর্কিত। কৃষি বিজ্ঞান ফসলের উৎপাদনশীলতাকে বাধাগ্রস্তকারী প্রতিকুল কারণগুলির প্রতিরোধ এবং সংশোধনেও জড়িত। স্থানীয় এলাকার সাথে এর দ্ঢ় সম্পর্কের কারণে এটিকে ছ্ছানীয় বিজ্ঞান হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি প্রায়শই ইকো-অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত একটি বিজ্ঞান হিসাবে বিবেচিত হয়। কারণ এটি মুলত একটি নিদিষ্ট এলাকার জলবায়ু এবং মাটির বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে। এই কারণগুলি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। অনেক লোকের অভিমত যে কৃষি বিজ্ঞান স্থানীয় আবহাশ্য়া এবং স্থানীয় মাটির

প্রয়োজন।

কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নঃ-

বাংলাদেশ মুলত কুষি খাতের উপর নির্ভরশীল একটি দেশ। এছাড়াও কৃষি এদেশের মানুষের শুধু জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম নয়, বরং তাদের জীবন যাপনের একটি উপায় । তাছাড়া গোটা জাতি খাদ্যের জন্য কৃষির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় সরকার কৃষি খাতের উন্নয়নে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হাজার হাজার বছর ধরে আমরা কৃষি চর্চা করছি কিন্তু তবুও এটি দীর্ঘকাল ধরে অনুন্নত ছিল। স্বাধীনতার পর আমরা আমাদের খাদ্য চাহিদা মেটাতে অন্যান্য দেশ থেকে খাদ্যশস্য আমদানি শুরু করি। কিন্তু সবুজ বিপ-বের পর আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠি এবং আমাদের উদ্বৃত্ত অন্যান্য দেশে রপ্তানি শুরু করি ।

আগে আমলা খাদ্যশস্য চাষের জন্য বর্ষার ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভল করতাম কিন্ত এখন আমরা বাঁধ, খাল, নলকুপ, পাম্প সেট নির্মাণ করেছি। আমাদের কাছে এখন সার, কীটনাশক এবং বীজের আরও ভাল বৈচিত্র্য রয়েছে, যা আমাদের পুরানো সময়ে আমরা যা উৎপাদন করেছি তার তুলনায় আরও বেশি খাদ্য বাড়াতে সাহায্য করে। প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে উন্নত যন্ত্রপাতি, উন্নত সেচ সুবিধা এবং কুষির বিশেষ জ্ঞানের উন্নতি হতে থাকে। অধিকন্তু আমাদের কৃষি খাত অনেক দেশের ভুলনায় শক্তিশালী হয়েছে এবং আমরা অনেক খাদ্যশস্যের বৃহত্তম রপ্তানকারক।

 

কৃষি কাজে বিজ্ঞানঃ-

কৃষি বিজ্ঞান, খাদ্য এবং ফাইবার উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াকরণের সাথে সম্পর্কিত বিজ্ঞান । এর মধ্যে রয়েছে মাটি চাষের প্রযুক্তি, শস্য চাষ ও ফসল কাটা, পশু উত্পাদন, এবং মানুষের ব্যবহার ও ব্যবহারের জন্য উদ্ভিদ ও প্রাণীজ পণ্যের প্রক্রিয়াকরণ । প্রযুক্তি এবং আইওটি অনেক দিক থেকে কৃষিকে রুপান্তরিত করার সম্ভাবনা রাখে। যথা- আইটি কৃষিকে উন্নত করতে দ্বারা সংগৃহীত, যেমন আবহাওয়া পরিস্থিতি, মাটির গুণমান, ফসলের বৃদ্ধির অগ্রগতি বা গবাদি পশুর স্বাস্থ্য।

GMOS হল প্রযুক্তির ব্যবহার । যখন একটি নিদিষ্ট উদ্ভিদ বা প্রাণী থাকে, ব্যবহারকারীর প্রয়োজনে জেনেটিকালি পরিবর্তk হয়। জেনেটিকালি পরিবর্তিত খাবার সাধারণত বেশি উপাদান এবং বড় আকার দিয়ে তৈরি করা হয়। GMOS -এর উদাহরণ হল ভুন্তা, সয়া, ক্যানোলা এবং সুগার বিট ।

প্রভাবিত করেছে। GMOS হল প্রযুক্তির ব্যবহার যখন একটি নিদিষ্টি উদ্ভিদ বা প্রাণী থাকে, ব্যরহারকারীর প্রয়োজনে জেনেটিকালি পরিবর্তিত হয়। বেশি প্রোটিন থাকে।

 

কৃষি কাজে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রাঃ- একবিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে বিশ্ব ও বিশ্ববাসীর কোনতে কাজেই বিজ্ঞানের অনুপস্থিতি নেই। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা আজ সর্বত্র অব্যাহত । বিজ্ঞানের বদৌলতে অন্ধকার ধরণী আজ আলোকিত। জগৎ ও জীবনের কর্মপ্রবাহের জন্য যান্ত্রিক সরঞ্জামের আবিষ্কার কৃষিক্ষেত্রে বিপ্রবের সুচনা করেছে। ট্রাক্টর ও পাওয়ার-টিলারের সঙ্গে আরও নানা ধরণের যান্ত্রিক সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতির আবিষ্কার মানুষ ও পশুশ্রমকে মুক্তি দিয়েছে । গোবর সার, কম্পোস্ট সার ও সবুজ সারের স্থলে রাসায়নিক সার; যেমন-

ইউরিয়া, টিএসপি, এসএসাপি ইত্যাদির আবিষ্কারের ফলে একর প্রাতি উত্পাদন দ্বিগুণের ওপরে চলে গেছে। একই সঙ্গে উল্লেখ করা যায়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্রে ইরি ধান আবিষ্কৃত হয়। ফলনশীল ধান আবিষ্কার করে এদেশের কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করে। কৃষিকাজে বিজ্ঞানের প্রয়োগজনিত সাফলা শুধু ধান ও গমের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয় । বিজ্ঞানের এ সাফল্য প্রায় সকল ফসলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । কৃষিকাজে বিজ্ঞানের প্রয়ণগের মাধ্যমে পোকা-মাকড় দমন ও শিমুল করার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের প্রয়োগ ঘঢেছে অন্য সকল ক্ষেত্রের মতোই । নানা ধরনের পোকার আক্রমণ থেকে শস্যকে রক্ষার জন্যে ইনসেকটিসাইড বা পোকা ক্লোর ছাড়াও রয়েছে অনেক পোকা ধ্বংসকারী ওষুধ ।

উন্নত দেশসমূহের মতো আমরাও বৈজ্ঞানিক পদ্ধভিতে অধিক উৎপাদন করে আমাদের খাদ্য সমস্যা সমাধান করতে পারি। বলতে গেলে মানুষের বেছে থাকা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি দেশ ও জাতির সামগ্রিক কল্যাণসাধনও  অসম্ভব। আশার কথা, এদিকে লক্ষ রেখেই সরকার কৃষিক্ষেরে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে সচেতন হয়ে উঠছে। কৃষিব্যবস্থার সামগ্রিক কল্যাণের স্বার্থে এদেশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় , কৃষি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

বাংলাদেশে কৃষির ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাবঃ-

আমরা যে খাবার খাই তা কৃষিকাজ এবং বাংলাদেশের কৃষকদের উপহার । তারা তাদের ঘাম ঝরিয়ে আমাদের এই খাবার সরবরাহ করে । এছাড়া কৃষি খাত দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) এবং জাতীয় আয়ের অন্যতম প্রধান অবদানকারী। কৃষি কাজের জন্য একটি বৃহৎ শ্রমশক্তি এবং মোট নিযুক্ত লোকের প্রায় ৮০% কর্মচারী প্রয়োজন । তাছাড়া আমাদের মোট বপ্তানির প্রায় ৭০% কৃষি পণ্য । আমাদের প্রধান রপ্তানি পণ্য হল চা, তুলা, বন, তামাক, চিনি , পাটজাত দ্রব্য, মসলা, চাল এবং অন্যান্য অনেক পণ্য ।

কৃষি কাজ অর্থনীতি ও জনগণের জন্য খুবই উপকারী হলেও এর কিছু নেতিবাচক প্রভাবও বয়েছে। এই প্রভাবগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর । বন উজাড় হল কৃষির প্রথম নেতিবাচক প্রভাব । কারণ অনেক বন কেটে কৃষি জমিতে পরিণত করা হয়েছে । এছাড়াও , সেচের জন্য নদীর পানি ব্যবহারের ফলে অনেক হোট নদী ও পুকুর শুকিয়ে যায় যা প্রাকৃতিক আবাসস্থলকে এবং কীটনাশক জমির পাশাপাশি কাছাকাছি জলাশয়গুলিকে দুষিত করে। শেষ পর্যন্ত এটি মাটির উপরের ক্ষয় এবং ভুগর্ভস্থ পানির দুষণের দিকে পরিচালিত করে। কৃষি সমাজকে অনেক কিছু দিয়েছে । তবে এর নিজন্ব সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে যা আমরা উপেক্ষা করতে পারি না। তদুপরি

সরকার কৃষির প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে সর্বাতাক সহায়তা করছে। তবুও কৃষির নেতিবাচক প্রভাবগুলির জন্য কিছু করা দরকার ।

 

আমাদের দেশে কৃষি ও কৃষকঃ-

বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য যে কোনো পরিকল্পনার সবচেয়ে গ্ররুতৃপুর্ণ বিষয় হল একজন ক্ষুধার্ত, অসন্তুষ্ট মানুষকে সুখী, সুস্বাস্থ্যের মানুষে পরিণত করা। খাদ্য আমদানির মাধ্যমে বা ঘরে উত্পাদনের মাধ্যমে পাওয়া যেতে পারে । বাংলাদেশকে তার নিজের খাদ্য তৈরি করতে হবে। তাই কৃষি উন্নতির জন্য পরিশ্রম করে আমাদের আরও খাদ্য বাড়াতে হবে । বৈজ্ঞানিকভাবে অন্যান্য পদ্ধতি রয়েছে।  রসায়নবিদ, জীববিজ্ঞানী, প্রকৌশলী এমনকি পদার্থবিদদেরও বিজ্ঞানকে বৃহৎ আকারের উৎপাদনে প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে একটি মহান ভূমিকা পালন করতে হবে এবং তাদের অবশ্যই পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত সুযোগ দিতে হবে।

আমাদের দেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। দেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোকই কৃষিজীবী । কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, উন্নত দেশগুলোতে কৃষিকাজের সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠলেও আমাদের দেশে এ ব্যাপারে তেমন কোনতে অগ্রগতি সাধিত হয়নি। এখনও প্রাচীন আমলের মতে কৃষকেরা কৃষিকাজের জন্যে জীর্ণ-শীর্ণ গরু আর লাঙুল ব্যবহার করছে। কৃষকদের অবস্থাও শোচনীয়। কৃষি কাজের জন্যে তারা প্রয়াজনীয় মুলধন যোগাতে পারে না। তারা নিরক্ষর তাই উন্নত ও আধুনিক কৃষিব্যবস্থা প্রবর্তনের উপযযগী জ্ঞান ও অর্থ তাদের নেই । ফলে আমাদের কৃষিব্যবন্থা ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সঙ্গে সংগতি রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। বিবর্তনের সিড়ি

বেয়ে গতটা বিশ্ব আজ অপ্রতিহত গতিতে ধেয়ে চলেছে উন্নয়নের স্বর্ণ শিখরের পানে । দিনবদলের পালায় বাংলার কৃষক আর কৃষি আজও সেই তিমিরেই ঘুরপাক খাচ্ছে। যুগ-তরঙ্গ তাদের মাঝে কোনণে আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারেনি। ভাই আজও বাংলার কৃষক প্রকৃতির খেয়াল-খুশির খেলনা হয়ে ধুকে ধুকে মরছে। ৷ বীন্দ্রনাথ ঠাকুর হতভাগ্য কৃষকদের ইতিবৃত্তে বলেছেন, “ওই যে দাড়ায় নত শির মূক সবে, ম্লানমুখে লেখা শুধু শত শতাব্দীর বেদনার করুণ কাহিনি, স্কন্ধে যত চাপ তার বহি চলে মন্থরগতি যতক্ষণ থাকে প্রাণ তার ।”

উন্নত বিশ্বে কৃষিঃ- উন্নত দেশগুলণার কৃষি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিজ্ঞাননির্ভর ৷ জমিতে বীজ বপন থেকে শুরু করে ঘরে ফসল তোলা পর্যন্ত সমস্ত কাজেই রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার। বিভিন্ন ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি যেমন ময়োর (শস্য ছেদনকারী যন্ত্র), রপার (ফসল কাটার যন্ত্র), বাইভার (ফসল বাঁধার যন্ত্র), থ্রেশিং মেশিন (মাড়াই যন্ত্র), ফিড গ্রাইন্ডার (পেষক যন্ত্র), ম্যানিউর স্পেডার (সার বিস্তারণ

মিল্কার (বৈদ্যুতিক বহন যন্ত্র) ইত্যাদি উন্নত দেশগুলোর কৃষিক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া প্রভৃতি দেশের খামারে ট্রাক্টরের মাধ্যমে একদিনে ১০০ একর পর্যন্ত জমি চাষ করা সম্ভব হয়। একই ট্রাক আবার একসঙ্গে ফসল কাটার যন্ত্র হিসেবেও কাজ করে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে চীন, জাপান, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, থাইলান্ড প্রভৃতি দেশও কৃষি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলেছে

উপসংহারঃ- কৃষি ছাড়া মানব সভ্যতা কল্পনা করা যায় না। কৃষিকাজে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি দিন দিন মজবুত হয়েছে। বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কৃষির উন্নতির উপরেই বাংলাদেশ অর্থনৈভিক উন্নতি অনেকাংশে নির্ভননশীল। তাই কৃষি-বিজ্ঞান ও কৃষি-প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণার কোনণে বিকল্প নেই । এটা অত্যন্ত আশার কথা যে, বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইতিমধ্যে বহু নতুন নতুন উচ্চ ফলনশীল ফসল উদ্ভাবন করেছে, বহু কৃষিবান্ধব প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে।

২. প্রদত্ত বাক্যের সম্প্রসারিত ভাব লিখুন: দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিতাজ্য।

উত্তর:

সম্প্রসারিত ভাব: চরিত্রহীন ব্যক্তি মাত্রই দুর্জন। এ শ্রেণীর মানুষ বিদ্বান হলেন অবশ্যই পরিত্যাজ্য । বিদ্বান দুর্জনের সাহচর্যে নিষ্কলুষ চিজ কলুষিত হতে পারে, সে জন্যে চাই সাবধানতা।

বিদ্যা বিনয় দান করে বলে একটি সুভাষণ প্রচলিত আছে। কিন্তু কথাটি যে সকলের ক্ষেত্রেই সত বাস্তবে তার প্রমাণ পাওয়া যায় না। বহু বিদ্বানকে দেখা যায় যারা বিনয়ী নয়, তাদের আচরণ রূঢ়, অহঙ্কারে তাদের মাটিতে পা পাড়ে না। সোজাসুজি এদের দুর্জন বলে চিহ্নত করা যায় । বিদ্বান হলেও এরা সমাজে কোনো মঙ্গলজনক ভূমিকা রাখে না। বিদ্যা এদের চরিত্রে মানবীয় গুণাবলীর জন্ম দিতে পারে নি, বরং যা দিয়েছে তার নাম চাতুর্য। এই চাতুর্য বুদ্ধিতে এরা অন্যের মন ভুলিয়ে সহজে নিজের দ্বার্থ চরিতার্থ করতে চায়। এদের সম্পর্কে তাই সাবধান থাকা প্রয়োজন । কোনো কোনো  সাপের মাথায় মণি থাকলেও মনে রাখতে হবে যে মণি যার মাথায় আছে সে আসলে বিষধর, সুযোগ পেলেই দংশন করতে সে কুণ্ঠিত হয় না। দুর্জন বিদ্বানও নিজের স্বার্থে অন্যের ক্ষতি করতে দ্বিধা করে না। এরা বর্ণচোরাও বটে । বিদ্যার চটকদারিতে এরা নিজেদের আসল রঙ লুকিয়ে রাখে । আমরা যেন এদের বাইরের রঙ দেখে ভুল না করি। এদের স্বরূপ আমাদের চিনতে হবে এবং তাদের সাহচর্য পরিত্যাগ করতে হবে ।

মানব জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো চরিত্র | সেটি নষ্ট হলে তখন মানুষ আর মানুষ থাকে না, সে পশুতে পরিণত হয়। তাই চরিত্রহীন বিদ্বান ব্যক্তির সাহচর্য পরিত্যাগ করা বাঞ্ছনীয়।

৩. বাংলায় অনুবাদ করুন:

We have duties to God, to the state and to the society. God has created us and placed us on this beautiful earth. We are indebted to our society for the services it renders to us. Our society is like a machine of which we are the parts. We each have to play our own part, Otherwise the society will not prosper.

উত্তরঃ- ঈশ্বর, রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি আমাদের কর্তব্য আছে। ঈশ্বর আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমাদেরকে এই সুন্দর প্রথিবীতে প্রেরণ করেছেন। সমাজ আমাদেরকে যে সেবা প্রদান করে তার জন্য আমরা সমাজের কাছে ঋণী। আমাদের সমাজ একটা মেশিনের মত যার অংশ হচ্ছি আমরা। আমাদের প্রত্যেককে নিজেদের ভুমিকা পালন করতে হবে, অন্যথায় সমাজের উন্নতি হবে না।

৪. প্রদত্ত প্রশ্নসমূহের উত্তর দিন:

(ক) ষত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়ম লিখুন।

উত্তরঃ- যে বিধানে তৎসম শব্দে ‘ষ’এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রত হয়, তাকে ষত্ব বিধান বলে । নিচে ষত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়ম দেওয়া হলোঃ

১. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক-র এর পর ষ-এর প্রয়োগ হলে তা অবিকৃত থাকে । যেমন: ভীষণ, বিমর্ষ, জিগীষা ইত্যাদি।

২. ই-কারান্ত ও উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয় । যেমন: অভিষেক, অনুষ্ঠান ইত্যাদি।

৩. ঋ-কার ও র-এর পর “ষ’ হয় যেমন: বৃষ, বৃষ্টি ইত্যাদি ।

৪. ট ও ঠ-এর আগে মূর্ধন্য ‘ষ’ হয় । যেমন: পুষ্টি, সৃষ্টি ।

৫. নিঃ, দুঃ, বহিঃ, আবিঃ, চতঃ প্রাদুঃ – এ শব্দগুলোর পর ক,খ,প,ফথাকলে বিসর্গ-এর স্থানে ‘ষ’ হয়। যেমন: নিক্ষল, শিঙ্কাম, বহিষ্কার ইত্যাদি।

(খ) বানান শুদ্ধ করে লিখুন:

শান্তনা – সান্ত্বনা

আকাংখা – আকাঙক্ষা

মনিষী – মনীষী

উচ্ছাস – উচ্ছ্বাস

স্বরস্বতী – সরস্বতী

(গ) বাংলা ভাষয় সমাসের প্রয়োজনীয়তা লিখুন।

উত্তরঃ- বাংলা ভাষায় সমাসের প্রয়োজনীয়তা:

১. সমাসের মাধ্যমে অনেক নতুন শব্দ গঠন করা যায়।

২. ভাষাকে সহজ-সরল, সংক্ষিপ্ত, প্রার্জল ও শ্রুতিমধুর করা যায়।

৩. অল্প কথায় ব্যাপক ভাব প্রকাশ কলা যায়।

৪. সহজভাবে শব্দ উচ্চারণ করা যায়।

৫. বক্তব্যকে সুন্দর, শ্রুতিমধুর, সংক্ষিপ্ত, সহজ-সরল, অর্থবহ ও তাৎপর্যপূর্ণ করা ঘায়।

৬. বাক্যকে গতিশীল করা যায়।

(ঘ) বাক্য সংকোচন করুন:

পাখির ডাক = কূজন

আকাশে উড়ে যা= খেচর

ফুল হতে জাত = ফুলেল

অক্ষির সম্মুখে বর্তমান = প্রত্যক্ষ

একই গুরুর শিষ্য = সতীর্থ

(৬) প্রদত্ত বাগধারগুলোর অর্থ নির্দেশ করে উপযুক্ত বাক্যে উপস্থাপন করুন:

হাতির খোরাক (বেশি খাওয়া): চার জনের ভাত একজনেই খেয়ে ফেলল, এ দেখছি হাতির খোরাক।

অমৃতে অরুচি (দামি জিনিসে বিভৃষ্ণা): হাতের কাছে ভালো চাকরি পেয়েও করল না, এ যেন অমৃতে অরুচি।

উনপঞ্চাশ বায়ু (পাগলামি): পরীক্ষা ঘনিয়ে আসছে আর তার মাথায় উনপঞ্চাশ বায়ু দেখা দিয়েছে ।

কাঁঠালের আমসত্ব (অসম্ভব বস্তু): লেখাপড়া না করে “এ প্লাস” পাওয়া এ যে, কাঁঠালের আমসত্ব।

রাবনের চিতা (চির অশান্তি): একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে মায়ের বুকে রাবণের চিতা জ্বলছে ।

ইংরেজি প্রশ্ন সমাধানঃ-

  1. Write an essay on “Tourism”.

[Hints Introduction-Prospect of Tourism in Bangladesh-places of scenic beauty-Dhaka-its own attractions-places of historical interest-Local People The Parjatan Corporation of Bangladesh. Conclusion]

  1. Write an application to the Deputy Commissioner of your District seeking relief for the cyclone ‘Sitrang-affecting people of your area.
  2. Read the following passage and answer the questions below:

Science and technology have come to pervade every aspect of our times and as a result, society is changing at a speed which is quite unprecedendent. There is a great technological explosion around us, generated by science. This explosion is already freemg vast number of people from their traditional bondage to nature and now at last we have it in our power to free mankind once and for all from the fear which is based on want. Now, for the first time man reasonably begins to think that life can be something more than grim struggle for survival. But even today, in spite of the high standard of living which has become general in the more fortunate West. the majority of people in the world still spends nearly all their time and energy in a never-ending struggle with nature to secure the food and shelter they need.

Questions:

(a) Which pervade every aspect of our life?

Ans. Science and technology pervade every aspect of our times.

(b) What explosion has science generated around us?

Ans. Science has generated a great technological explosion around us.

(c) What has man in his power?

Ans. Man now has it im his power to free mankind once and for all from the fear which is based on want.

(d) How is life in the West?

Ans. The standard of living in the West is high and has become general.

(e) Who are engaged in a never-ending struggle with nature?

Ans. The majority of people in the world are engaged in a never-ending struggle with nature to secure the food and shelter they need.

  1. Correct the following sentences:

(a) He is not weak in Bangla but in English.

Ans. He is weak in English but not in Bangla.

(b) He distracted me but said, “I’m sorry to disturb you.”

Ans. He distracted me, but then he said, “I’m sorry for disturbing you.”

(c) You will find it in the last two pages.

Ans. You will find it on the last two pages.

(d) I saw him to read a book.

Ans. I saw him reading a book.

(e) We must talk to the concerned authority.

Ans. We must speak to the relevant authority.

(f) He has met me yesterday.

Ans. He met me yesterday.

(5) He talks as if he knows everything

Ans. He speaks as if he knows everything.

(h) See the word in the dictionary.

Ans. Look up the word in the dictionary.

(i) I know what is he.

Ans. I know who he is.

(j) All are lost, nothing is left.

Ans. Everything is lost and nothing remains.

  1. Combine the following sentences into one simple sentence:

I saw a man, He was one-eyed. He was old. He was sitting under a tree. The tree was shadowy.

Ans.

I saw an old one-eyed man sitting under a shady tree.

  1. Change the following sentences as directed:

(a) He has not yet finished the work (Affirmative)

Ans. He has finished the work.

(b) Why do you prefer reading to writing? (Positive degree)

Ans.

(c) Something is done and it can not be undone (Complex)

Ans. Since it is done .it cannot be undone.

(d) He was involved in dacoity and he confessed it. (Simple)

Ans. He confessed to being involved in dacoity.

(e) He was elected chairman (Active)

Ans. They elected him chairman.

(f) I did not know him before (Passive)

Ans. He was not known to me before.

(g) What is lotted can not be blotted (Compound)

Ans. It is lotted and cannot be blotted.

(h) We must help him (Negative)

Ans. We cannot but help him.

(i) Her performance is better than yours. (Positive degree)

Ans. Your performance is not as good as hers.

(j) No student dislikes him. (Interrogative Sentence)

Ans. Does any student like him?

  1. Fill in the gaps with appropriate prepositions:

(a) He takes his old mother. (after)

(b) Smoking tells health. (upon)

(c) He is popular his pople. (among)

(d) He died cancer. (of)

(e) Don’t lean the wall. (against)

  1. Make sentences with the followings

(a) What through: What went through your mind when you saw the cake?

(b) Let alone: I can’t run a mile, let alone five.

(c) By fits and start: I learned to play the guitar by fits and starts, practicing when J had free time.

(d) At one’s beck and call: The waiter was always at our beck and call, ready to bring us whatever we needed.

(e) At discretion: The teacher has the discretion to choose the best project for the class.

গণিত প্রশ্ন সমাধানঃ-

১. (ক) একটি ঘড়ি ২০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো: ঘড়িটি আরো ৩০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রয় করলে ৫% লাভ হত। ঘড়িটির ক্রয়মূল্য নির্ণয় করুন।

সমাধানঃ- ২০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য (১০০-২০) = ৮০ টাকা

আবার, ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য (১০০+৫) = ১০৫ টাকা

বিক্রয়মূল্য বেশি হয় (১০৫-৮০) = ২৫ টাকা

বিক্ররমূল্য ২৫ টাকা বেশি হলে ক্রয়মুল্য ১০০ টাকা

”          ১    ”      ”     ”      ”     ১০০/২৫ টাকা

”         ৩০   ”      ”     ”      ”    ১০০*৩০/২৫

= ১২০ টাকা

উত্তরঃ- ক্রয়মুল্য ১২০ টাকা

২। ১ বর্গ ইঞ্চি সমান কত বর্গ সেন্টিমিটার ?

১ ১ বর্গ ইঞ্চি = (২.৫৪)২ বর্গ সেন্টিমিটার

=৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার

 

 

বাংলাদেশ বিষয়াবলিঃ-

১. বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয় কোন তারিখে?

উত্তরঃ- ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।

২. ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবী বঙ্গবন্ধু কোন তারিখে পেশ করেন ?

উত্তরঃ- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটি ৬ দফা কর্মসূচী নামে পরিচিত। পরবতীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা ঘোষণা করেন।

৩. বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কয় কক্ষ বিশিষ্ট?

উত্তরঃ- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এক কক্ষ বিশিষ্ট ।

৪. মুজিব বর্ষের সময়কাল লিখুন।

উত্তরঃ- মুজিব বর্ষের সময়কাল ছিল ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে ১৬ ডিসেম্বর , ২০২১ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। পরেবতীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর ৩১ মার্চ ২০২২ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

৫. বাংলাদেশে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার নাম কি?

উত্তরঃ- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

৬. বঙ্গবঙ্গ রদ হয় কত সালে?

উত্তরঃ- ১৯১১ সালে

৭. পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় কত তারিখে?

উত্তরঃ-  ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫ সালে

৮. স্বাধীনতা পর বাংলাদেশ প্রথম মৈত্রী চুক্তি কোন দেশের সাথে সম্পাদন করে?

উত্তরঃ- ভারতের সাথে

৯. বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কোন সালে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছিল?

উত্তরঃ- ১৯৭২ সালে

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিঃ-

১০. নিকটতম হের নাম কি?

উত্তরঃ- শুক্র গ্রহ

১১. আজারবাইজানের রাজধানীর নাম কি?

উত্তরঃ- বাকু

১২. মহাকাব্য ‘শাহনামা’র রচয়িতা কে?

উত্তরঃ- ফেরদৌসী

১৩. বুরকিনা ফাসো দেশটি কোন মহাদেশের অন্তর্গত?

উত্তরঃ- আফ্রিকা

১৪. কোন দেশ টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২২ এর আয়োজক?

উত্তরঃ- অষ্ট্রেলিয়া

১৫. সুয়েজ খান কোন দেশের অন্তর্গত?

উত্তরঃ-  মিশর

১৬. পানামা খাল কোন দুই মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে?

উত্তরঃ- আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।

১৭. ওডেসা কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?

উত্তরঃ- ইউক্রেন

১৮. বাল্টিক সাগর তীরবর্তী দুটি দেশের নাম লিখুন।

উত্তরঃ- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বলতে উত্তর ইউরোপে বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়। এই অঞ্চলে এস্তোনিয়া, লাতভিয়া এবং লিথুনিয়া – এই তিনটি দেশ রয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রশ্ন সমাধানঃ-

১৯. চোখের কোন অংশের সাথে ক্যামেরার ডায়াফ্রামের মিল আছে?

উত্তরঃ- কর্ণিয়া

২০.  THAAD THAAD এর পূর্ণরূপ লিখুন?

উত্তরঃ- THAAD =Terminal High Altitude Area Defense

২১. MKS পদ্ধতিতে ভর একক কি ?

উত্তরঃ- কিলোগ্রাম

২২. উদ্ভিদ যে প্রক্রিয়ায় সুর্যালোকের উপস্থিতিতে পাতায় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে কি বলা হয়?

উত্তরঃ- সালোক সংক্লোষণ

২৩. লবণ (খাবার) এর উপাদান কি?

উত্তরঃ- সোডিয়াম ক্লোরাইড (৪01)

২৪. হাইড্রোজেন পরমাণুর যোজনী কত?

উত্তরঃ- ১

২৫. ভিটামিন সি পাওয়া যায় এমন তিনটি খাদ্য বন্ধুর নাম লিখুন।

উত্তরঃ- লেবু, কমলা, আমলকি

Download From Google Drive

Download

আরো পড়ুনঃ-

Download From Dropbox

Download