পরিবার পরিকল্পনা ঝালকাঠি জেলা কার্যালয় এর পরিবার কল্যাণ সহকারী পদের লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২২

0
15

ঝালকাঠি জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় পরিবার কল্যাণ

সহকারী পদের লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০২২

পদের নামঃ- পরিবার কল্যাণ সহকারী

পরীক্ষার তারিখঃ- ০৪-১১-২০২২

বাংলা প্রশ্ন সমাধানঃ-

প্রশ্ন: অনুচ্ছেদ লিখুন: মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় । আর এই গৌরবোজ্ভ্বল অধ্যায়ের নায়ক একজন । তিনি আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । তিনি মহানায়ক, মহাননেতা, আমাদের জাতির পিতা। বাঙালি আর বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য হয়ে উঠেছিলেন শেখ মুজিব । টুঙ্গিপাড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নায়ক হয়ে উঠে এসেছেন জাতীয় অঙ্গণে, এরপর মহানায়ক হিসেবে দ্যুতি ছড়িয়েছেন বিশ্বমঞ্চে। বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম আমাদের চেতনাকে মহিমান্বিত করে। তার ঔদার্য, সারল্য, নির্ভেজাল বাঙালিত্ব, আত্মমর্ধাদাবোধ, মানবিকতাবোধ অসাধারণ সাহস, নির্মোহ আত্মসমালোচনা, ব্যক্তিস্বার্থের  উর্ধ্বে থেকে অপরিসীম দেশপ্রেম, ভিন্ন ভিন্ন মন মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তির সাঙ্গে সহজ-সরল সম্পর্ক স্থাপনের ক্যারিশমা, প্রবল ধীশক্তি আমাদের জন্য কেবল মুগ্ধকরই নয়, ধরনের গুণাবলি যে কোনো পর্যায়ে নেতৃত্বদানের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। ৬২-এর গণআন্দোলন, ‘৬৫তে পাক-ভারত যুদ্ধ-পরব্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের অবস্থান সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য, ‘৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯-এর আন্দোলন, ‘৭০-এন ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী অবস্থায় বঙ্গবন্গুর অভিব্যক্তি, ‘৭০-এর নির্বাচন, ‘৭১-এর অসহযোগ আন্দোলন, ‘৭১-এর ৭ মার্চের ভাষণ, ২৫ মার্চের কালরাত, মহান মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস- সবকিছুতেই আমান প্রত্যক্ষ অংস্গ্রহণ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করেই । বাংলার শোষিত, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের মুক্তিই ছিল তার জীবনের মুল লক্ষ্য ও আদর্শ । যে লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি আজীবন শুধু সঙ্ঘামই করে গেছেন। বাংলার মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বারংবার জেল-জুলুমের-শিকার হয়েছেন। মাত্র ৫৪ বছরের (১৯২০-১৯৭৫) জীবনকাল

ভার। শৈশব ও কৈশোরকাল পেরিয়ে ৩০ বছরের মতো তার রাজনৈতিক জীবন। এর মধ্যে তের (১৩) বছরই কাটিয়েছেন জেলখানায় । মোট ১৮ বার কারারুদ্ধ হয়েছিলেন । ২৪টি মামলা তিনি সাহসের সঙ্গে লড়েছেন। মৃত্যুর সামনে থেকে ফিরে এসেছেন ২ বার। বস্তুত জেল-জুলুম-নিপীড়ন তার জীবনে এক নিয়মিত অধ্যায়ে পরিণত হয়েছিল । বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিজীবন বলতে কিছুই ছিলনা । তার চিন্তা-চেতনা, ধ্যান; সপ্ন, কর্ম  সবই ছিল দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য । তার পুরো জীবনটাই ছিল বাঙালির জন্য নিবেদিত তাই ফাসির মঞ্চেও কখোনো তিনি ভয় পাননি । ভোগ নয়, রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছিল ত্যাগের । বঙ্গবন্ধু রাজনীতিতে নীতি-আদর্শকে সর্বোচ্চ স্থান দিতেন। তার রাজনীতির লক্ষ্য নিছক ক্ষমতায় যাওয়া ছিল না, তা ছিল বাঙালির অধিকার আদায় বা জাতীয় মুক্তি অর্জনে নির্দেশিত। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির মুল দর্শন ছিল বাঙালির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি অর্জন। তিনি ছিলেন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা । সারা জীবন নির্লোভ ও নির্মোহ থেকে বাংলার মানুষের অধিকার নিয়ে লড়াই করেছেন। বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে তিনি ছিলেন সম্পূর্ন আপসহীন । অসাধারণ ধৈর্য, সাহস ও দৃঢ়তা নিয়ে তিনি তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে নিষ্ঠা এবং জনগণের এক্য ও সংহতিতে দেশের জন্ম দিয়ে গেছেন। যা বিশ্বে বিরল। তার অসংখ্য অগ্নি-পরীক্ষার অদম্য মধ্যদিয়ে সাহস, ইস্পাত-কঠোর পাকিস্তানি শাসক ও করার মুহূর্তে তিনি এক বিন্দু সংকল্প, আদর্শ ও লক্ষ্যের প্রতি শোষচক্রকে রুখে দাড়িয়ে একটি স্বাধীন প্রগাঢ় বিশ্বাস থেকে তাকে নির্মমভাবে হত্যা সরে আসেননি । বাংলাদেশকে নিয়ে জাতির পিতা যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তার সুযোগ্য উত্তরসুর্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । সততা ও আতবিশ্বাসকে পুঁজি করে বঙ্গবন্ধুর আর্শিবাদ সাথে তিনি এগিয়ে চলছেন দুর্বার গতিতে । চারদিকে কত শত বাধা । তারপরও তিনি থেমে নেই । দেশের আপামর জনসাধারণের সমর্থনে তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে রূপান্ত্রিত করেছেন । শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগে এখন নেতা কর্মীর অভাব নেই । কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে নিস্বার্থভাবে দেশের জনগণের সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করার মতো রাজনীতিবিদের ব্যাপক অভাব রয়েছে। আমরা অনেকেই মুখে বঙ্গবন্ধুর কথা বলি, বঙ্গবন্ধুর নামে গগণ বিদারী লোগান দেই কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও আদর্শ অন্তরে ধারণ করিনা । রঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে সমর্থন করি, যতটা না দেশের প্রয়োজনে তার চেয়ে বেশী ব্যক্তি স্বার্থে । আজ বঙ্গবন্ধু নেই কিন্তু রয়েছে তার আদর্শ । বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতা কর্মীকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর দর্শন, ত্যাগ ও আদর্শ নিজেদের মধ্যে জাগ্রত করতে হবে।

ইংরেজি প্রশ্ন সমাধানঃ-

  1. Write a Paragraph on: Digital Bangladesh

Ans;

Digital Bangladesh is Digital Bangladesh is a much-talked slogan of the present government of Bangladesh. Digital Bangladesh means a technology-based prosperous country where computers will be widely used. All economic activities of the country will be monitored or controlled by the computer via the internet. The benefits\of digital Bangladesh are many. If we can establish digital Bangladesh, corruption will be drastically reduced by enhancing

transparency and accountability. It will make people think globally and connect themselves with the whole world economically, politically, socially, academically, and even culturally. It will improve banking and financial activities. Agriculture, health, education, commerce all the sectors will be highly benefited by making Bangladesh a digital one. For translating the dream of Digital Bangladesh into reality, the government has to take certain initiatives. First of all, an uninterrupted power supply has to be ensured. We have to develop computer network infrastructures throughout the country. We also have to train our people to acquire the skill and ensure equitable access to digital governance services for all strata of the society. Finally, our education should be computer-based and in primary and secondary schools students should get easy access to the computer. It will be no ambition if we say that the implementation of a digital Bangladesh can help us to uphold ourselves as one of the developed countries in the orld by the next decade.

Translation (Bangla to English)

১) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি কামিনী রায় ঝালকাঠি জেলার বাসন্ডা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

Ans: Kamini Roy, one of the poets of Bengali literature, was born in Basanda village of Jhalkathi district

২) বিশখালী নদীর ইলিশ মাছ সুস্থাদু।

Ans: Hilsa fish of Bishkhali river is delicious.

৩) পদ্মা সেতু ২৫ শে জুন ২০২২ তারিখে উদ্ভোধন করা হয়।

Ans: Padma Bridge was inaugurated on 25th June 2022.

গণিত প্রশ্ন সমাধানঃ-

৮০ মিটার দৈর্ঘধ ও ৬০ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট একটা আয়তাকার বাগানের ভিতরের চারদিকে ৪ মিটার প্রাশস্ত একটি পথ আছে। প্রতি বর্গমিটার পথ বাঁধাই করতে খরচ হয় ৭.২৫ টাকা । সম্পূর্ন রাস্তা বাধাই করতে কত খরচ হবে?

সমাধানঃ

পথসহ বাগানের দৈঘ্ ৮০ মিটার

পথসহ বাগানের প্রস্থ ৬০ মিটার

:.“পথসহ বাগানের ক্ষেত্রফল ৮০*৬০=৪৮০০ বর্গমিটার

পথবাদে বাগানের দৈঘ্য = ৮-৪ * ২=৭২ মিটার

পথবাদে বাগানের প্রস্থ =  ৬০-৪ * ২=৫২ মিটার

:. “পাথবাদে বাগানের ক্ষেত্রফল=৭২ * ৫২= ৩৭৪৪ বর্গমিটার

:.পথের ক্ষেত্রফল= ৪৮০০-৩৭৪৪=১০৫৬ বর্গমিটার

:. “পথ বাধানোর খরচ=১০৫৬ * ৭.২ =৭৬৫৬ টাকা

সুতারাং, নির্ণেয় খরচ ৭৬৫৬ টাকা

২. উৎপাদকে বিশ্রেষণ করো : -6+12a-9

সমাধান:-6+12a-9

=-3+3a-3+9a-9

=-3+3a-3+9a-9

=a(-3a+3) -3(-3a+3)

=a(-3a+3)-3 (-3a+3) (a-3) (-3a+3)

=(a-3) (-3a+3)

সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন সমাধানঃ-

১) পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত?

উত্তরঃ পদ্মা নদীর উপর নির্মিত. সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার ।

২) বঙ্গবন্ধু কে জুলিও কুরি পদক কবে দেওয়া হয় ?

উত্তরঃ ১০ অক্টোবর ১৯৭২ (উল্লেখ্য তিনি পুরস্কারটি গ্রহণ করেন ২৩ মে ১৯৭৩ সালে।

৩) IMF কবে কার্যক্রম শুরু করে?

উত্তরঃ International Monetary Fund  উলেখ্য , এটি ১-২২ জুলাই ১৯৪৪ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসের মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গৃহীত চুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF প্রতিষ্ঠিত হয়। এই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ সালে।

৪) দক্ষিণ সুদানের রাজধানীর নাম কি?

উত্তর: জুবা।

৫) WHO এর সদস্য সংখ্যা কতটি?

উত্তরঃ ১৯৪টি ।

৬) হোডাইক্কো দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ জাপানে ।

৭) লাহোর প্রস্তাব কে কত সালে উ্থাপন করে?

উত্তরঃ ১৯৪০ সালে ।

৮) ২০২২ সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছে কে?

উত্তরঃ ফরাসি লেখক আ্যানি আর্নাক্স।

Download From Google Drive

Download

আরো পড়ুনঃ-

Download From Yandex

Download