জীব বিজ্ঞানের খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ডাউনলোড

0
42

জীব বিজ্ঞানের খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন উত্তর

পিডিএফ ডাউনলোড

১) জীব বিজ্ঞানের জনক কে ?

উত্তরঃ- এরিস্টটল .

২) কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় ?

উত্তরঃ- শুশুক .

৩) ক্লোন পদ্ধতিতে প্রথম ভেড়ার নাম কী ?

উত্তরঃ- ডলি .

৪) সবচেয়ে বড় কোষ কোনটি ?

উত্তরঃ- উট পাখির ডিম .

৫) ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় কোন প্রাণী ?

উত্তরঃ- মাছ .

৬) ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় কে ?

উত্তরঃ- কেঁচো .

৭) সাদা রক্তের বা বর্ণহীন রক্তের প্রাণী কোনটি ?

উত্তরঃ- তেলাপোকা .

৮) প্রাণী কোষের পাওয়ার হাউস বলা হয় কাকে ?

উত্তরঃ- মাইটোকন্ড্রিয়া

৯) প্রাকৃতিক লাঙ্গল বলা হয় কাকে ?

উত্তরঃ- কেঁচো .

১০) বাদুর রাতের বেলা চলাচল করে কিভাবে ?

উত্তরঃ- আল্ট্রাসনিক সাউন্ড এর মাধ্যমে .প্রতিধ্বনি সৃষ্টির করে।

১১) জীবাণু বিদ্যার জনক কে ?

উত্তরঃ- লুই পাস্তুর

১২) সবচেয়ে ক্ষুদ্র জীব কোনটি ?

উত্তরঃ- মানব ডিম্বানু .

১৩) পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম স্তন্যপায়ী প্রাণী কোনটি ?

উত্তরঃ- বামন চিকা .

১৪) সবচেয়ে বড় ফুল কোনটি ?

উত্তরঃ- র্যাফোসিয়া আরনন্ডি

১৫) শরীর বিদ্যার জনক কাকে বলা হয় ?

উত্তরঃ- উইলিয়াম হার্ভে .

১৬) সর্ব প্রথম অনুবীক্ষণ যন্ত্র আবিস্কার করেন কে ?

উত্তরঃ- ভন লিউয়েন হুক .

১৭) অরিজিন অফ স্পিসিস বইটির রচয়িতা কে ?

উত্তরঃ- ডারউইন .

১৮) উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক কে ?

উত্তরঃ- থিও ফ্রাসটাস

১৯) জীনের রাসায়নিক গঠন কী ?

উত্তরঃ- ডি এন এ

২০) সিঙ্কোনা কি কাজে ব্যাবহৃত হয় ?

উত্তরঃ- ম্যালেরিয়া ঔষধ

২১) শর্করা খাদ্যের প্রাথমিক উৎস কী ?

উত্তরঃ- সবুজ উদ্ভিদ

২২) উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ কোনটি ?

উত্তরঃ- ফুল

২৩) সব চেয়ে বড় ঘাস কী ?

উত্তরঃ- বাঁশ

২৪) কুইনাইন পাওয়া যায় কোন গাছ থেকে ?

উত্তরঃ- সিঙ্কোনা

২৫) কমলা লেবুতে কোন অ্যাসিড পাওয়া যায় ?

উত্তরঃ- এ্যাসিটিক অ্যাসিড

২৬) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উদ্ভিদ কোনটি ?

উত্তরঃ- বৈলাম

২৭) আঙ্গুরে কোন অ্যাসিড থাকে ?

উত্তরঃ- ট্যারিটারিক অ্যাসিড

২৮) কচু খেলে গলা চুলকায় কিসের উপস্থিতির জন্য ?

উত্তরঃ- ক্যালসিয়াম অক্রলিক

২৯) দুধের প্রোটিনের নাম কী ?

উত্তরঃ- কেজিন

৩০) লেবুতে কোন অ্যাসিড থাকে ?

উত্তরঃ- সাইট্রিক অ্যাসিড

৩১) চায়ের পাতায় কোন উপাদান থাকে ?

উত্তরঃ- থিন

৩২) কফিতে কোন উপাদান থাকে ?

উত্তরঃ- ক্যাফেইন

৩৩) আপেলে কোন অ্যাসিড থাকে ?

উত্তরঃ- ম্যালিক অ্যাসিড

৩৪) দুধে কোন অ্যাসিড থাকে ?

উত্তরঃ- ল্যাকটিক অ্যাসিড

৩৫) আমলকিতে কোন অ্যাসিড থাকে ?

উত্তরঃ- অক্সালিক অ্যাসিড

৩৬) তেঁতুলে কোন অ্যাসিড থাকে ?

উত্তরঃ- টারটারিক অ্যাসিড

৩৭) তামাকে বিষাক্ত কোন পদার্থ থাকে ?

উত্তরঃ- নিকোটিন

৩৮) দুধের শর্করাকে কী বলে ?

উত্তরঃ- ল্যাকটোজ

৩৯) সবচেয়ে বেশি শর্করা পাওয়া যাবে ?

উত্তরঃ- ডাবে

৪০) খাদ্য শক্তি বেশি থাকে কোন মাছে ?

উত্তরঃ- শুটকি মাছে

৪১) কোষের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে কে ?

উত্তরঃ- নিউক্লিয়াস

৪২) করনিয়া = প্রতিসারক মাধ্যমরুপে আলোক রশ্মিকে কেন্দ্রীভূতকরে।

৪৩) কনজাংটিভা = করণিয়াকে রক্ষা করে।

৪৪) কোরয়েড = রেটিনাকে রক্ষা করে ও বিচ্ছুরিত আলোকের প্রতিফলন রোধ করে।

৪৫) রেটিনা = বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সাহায্য করে।

৪৬) আইরিশ = তারারন্ধ্রকে বা পিউপিলকে ছোট ও বড় হতে সাহায্য করে।

৪৭) সিলিয়ারি বডি = লেন্সের উপযোজনে সাহায্য করে।

৪৮) লেন্স = আলোর প্রতিসরন করে আলোক রশ্মিকে রেটিনার উপর কেন্দ্রীভূত করে।

৪৯) পিউপিল = এর মাধ্যমে চোখে আলোক রশ্মি প্রবেশ করে।

৫০) ব্লাইন্ড স্পট বা অন্ধবিন্দু = এখানে কোন প্রতিবিম্ব গঠিত হয় না।

৫১) ইয়োলো স্পট বা পীতবিন্দু = এখানে প্রতিবিম্ব গঠন সবচেয়ে ভালো হয়।

৫২) রড কোশ ( রেটিনায় অবস্থিত) = মৃদু আলো শোষন করে।

৫৩) কোন্ কোশ ( রেটিনায় অবস্থিত) = উজ্জ্বল আলো ও বর্ন শোষন করে।

৫৪) একনেত্র দৃষ্টি : যে সমস্ত প্রানীদের একনেত্র দৃষ্টি দেখা যায় = ব্যাঙ, গরু, ঘোড়া, প্যাঁচা।

৫৫) দ্বিনেত্র দৃষ্টি : দ্বিনেত্র দৃষ্টি দেখা যায় = মানুষ।

৫৬) মায়োপিয়া : যে দৃষ্টিতে দূরের দৃষ্টি ব্যাহত হয় কিন্তু নিকটের দৃষ্টি ঠিক থাকে তাকে মায়োপিয়া বলে।

প্রতিকার : মায়োপিয়া দূর করতে অবতল লেন্স ( Concave glass) নির্মিত চশমা ব্যবহার করা হয়।

৫৭) হাইপার মেট্রোপিয়া : যে দৃষ্টিতে দূরের দৃষ্টি ঠিক থাকে কিন্তু নিকটের দৃষ্টি ব্যহত হয় তাকে হাইপার মেট্রোপিয়া বলে।

প্রতিকার : হাইপার মেট্রোপিয়া দূর করতে উত্তল লেন্স ( Convex glass) দিয়ে তৈরি চশমা ব্যবহার করা হয়।

৫৮) গ্লুকোমা রোগটি যুক্ত = চোখের সাথে।

৫৯) অপটিক স্নায়ু থাকে = চোখে।

৬০) যে গ্রন্থি চোখের পাতাগুলিকে জুড়তে দেয় না = মেবোমিয়ান গ্রন্থি।

৬১) যে রঞ্জক থাকায় চোখের কোরয়েডের রং কালো হয় = মেলানিন

৬২) মানুষের চোখ পূর্ন আকার লাভ করে = 13 বছর বয়সে।

৬৩) অশ্রুতে অবস্হিত যে উৎসেচক জীবাণু ধ্বংস করে = লাইসসোজাইম।

৬৪) অন্ধকারে দেখতে সাহায্য করে = রডকোশ।

৬৫) যে সমস্ত প্রানীদের পুঞ্জাক্ষি দেখা যায় = মৌমাছি, মশা, মাছি ।

৬৬) কুকুর, বিড়াল অল্প আলোতে স্পষ্ট দেখতে পাওয়ার কারন = রেটিনায় রড কোষের সংখ্যা বেশী থাকে বলে।

৬৭) সরলাক্ষি দেখা যায় = মাকড়সার।

৬৮) চোখ আলোক তরঙ্গ গ্রহণ করতে পারে = 400 nm – 700 nm .

৬৯) চোখের মনির রং নির্ভর করে = আইরিসের রংয়ের উপর।

৭০) মানব দেহের ক্ষুদ্রতম পেশী যা চোখে অবস্থিত = সিলিয়ারী পেশী।

৭১) কুকুর, বিড়াল প্রভৃতি নিশাচর প্রানী লাল, নীল ও সবুজ রং দেখতে না পাওয়ার কারণ = কোন কোশের সংখ্যা কম থাকে বলে।

৭২) চোখে কনজাংটিভা রোগটি হয় = ভাইরাস সংক্রমনে।

৭৩) চক্ষুর পরীক্ষা করার যন্ত্রগুলো = 1. রেটিনোস্কোপ, 2.অপথ্যালমোমিটার ,3. অপথ্যালোমোস্কোপ।

৭৪) বর্ণন্ধতা তিন প্রকারের : প্রোটোনোপিয়া = লাল রং সনাক্ত করতে না পারা।

ডিউটোরোনোপিয়া = সবুজ রং সনাক্ত করতে না পারা।

ট্রাইট্যানোপিয়া = নীল রং সনাক্ত করতে না পারা।

Download From Google Drive

Download

আরো পড়ুনঃ-

Download From Yandex

Dowload