নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম অধ্যায় সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি প্রশ্ন উত্তর

0
119

নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম অধ্যায় 

সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি প্রশ্ন উত্তর

অধ্যায় – ৮: বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা

১.প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে কে নিয়োগ দেন?

ক) প্রধানমন্ত্রী

খ) রাষ্ট্রপতি

গ) অর্থমন্ত্রী

ঘ) স্পিকার

সঠিক উত্তর: (খ)

২.ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনের আইনসভা কেমন?

ক) এককক্ষবিশিষ্ট

খ) দ্বিকক্ষবিশিষ্ট

গ) তিনকক্ষবিশিষ্ট

ঘ) চারকক্ষবিশিষ্ট

সঠিক উত্তর: (খ)

৩.বঙ্গীয় স্থানীয় আইন পাস হয় কত সালে?

ক) ১৯৭৫

খ) ১৮৮০

গ) ১৮৮৫

ঘ) ১৮৯০

সঠিক উত্তর: (গ)

৪.রাষ্ট্রপতি কাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন?

ক) সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে

খ) স্পিকারের সবচেয়ে আস্থাভাজন ব্যক্তিকে

গ) সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত ব্যক্তিকে

ঘ) কোনো দলের প্রধানকে

সঠিক উত্তর: (ক)

৫.অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে বলা হয় –

  1. প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন
  2. বিশেষ কারণে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

iii. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল করতে পারেন

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i

খ) ii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (খ)

৬.রাষ্ট্রীয় এবং সরকারি সকল আয়-ব্যয়ে সংসদের কী ভূমিকা রয়েছে?

ক) আয়-ব্যয়ে সংসদের সম্মতির প্রয়োজন হয়

খ) আয়-ব্যয়ে সংসদের কোনো ভূমিকা নেই

গ) আয়-ব্যয়ে সংসদ পরামর্শ প্রদান করে

ঘ) আয়-ব্যয়ে সংসদের কাছে হিসাব দিতে হয়

সঠিক উত্তর: (ক)

৭.বাংলাদেশের সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থীরা কাদের ভোটে নির্বাচিত হন?

ক) স্পিকারের

খ) সংসদ সদস্যদের

গ) ডেপুটি স্পিকারের

ঘ) প্রধানমন্ত্রীর

সঠিক উত্তর: (খ)

৮.শাসন বিভাগের অপর নাম কী?

ক) প্রশাসনিক বিভাগ

খ) নির্বাহী বিভাগ

গ) প্রধান বিভাগ

ঘ) আন্তঃপ্রধান বিভাগ

সঠিক উত্তর: (খ)

৯.ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে আইনের মাধ্যমে কয়টি কর্পোরেশনে বিভক্ত করা হয়েছে?

ক) দুই

খ) তিন

গ) চার

ঘ) পাঁচ

সঠিক উত্তর: (ক)

১০.কোন কাজটি সংসদ করতে পারে না?

ক) সংসদ দ্বিকক্ষ করতে আইন প্রণয়ন

খ) রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা হ্রাস করতে আইন প্রণয়ন

গ) প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে আইন প্রণয়ন

ঘ) সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠার জন্য আইন প্রণয়ন

সঠিক উত্তর: (ঘ)

১১.রাষ্ট্রীয় কোনো মন্ত্রীকে কে পদত্যাগ করতে বলতে পারেন?

ক) রাষ্ট্রপতি

খ) স্পিকার

গ) ডেপুটি স্পিকার

ঘ) প্রধানমন্ত্রী

সঠিক উত্তর: (ঘ)

১২.প্রশাসনকি কাঠামোর পদসোপাননীতি অনুযায়ী সর্বনিম্ন প্র্রশাসনিক কর্মকর্তা কে?

ক) বিভাগীয় কমিশনার

খ) সহকারী সচিব

গ) জেলা প্রশাসক

ঘ) উপ সচিব

সঠিক উত্তর: (খ)

১৩.প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন কে?

ক) স্পিকার

খ) ডেপুটি স্পিকার

গ) প্রধান বিচারপতি

ঘ) রাষ্ট্রপতি

সঠিক উত্তর: (ঘ)

১৪.বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা কে?

ক) জেলা প্রশাসক

খ) মেয়র

গ) বিভাগীয় কমিশনার

ঘ) রাজস্ব কর্মকর্তা

সঠিক উত্তর: (গ)

১৫.বর্তমানে একটি ইউনিয়ন কয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত?

ক) তিন

খ) পাঁচ

গ) আট

ঘ) নয়

সঠিক উত্তর: (ঘ)

১৬.রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা রয়েছে যেকোনো দন্ড –

  1. মওকুফ করার
  2. হ্রাস করার

iii. স্থগিত করার

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (ক)

১৭.বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে –

  1. জেলা প্রশাসন
  2. পৌরসভা

iii. সিটি কর্পোরেশন

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (খ)

১৮.সরকারের কয়টি অঙ্গ রয়েছে?

ক) দুইটি

খ) তিনটি

গ) চারটি

ঘ) পাঁচটি

সঠিক উত্তর: (খ)

১৯.জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য কার কাছে দায়ী?

ক) স্থানীয় সংসদ সদস্যের

খ) সংসদের

গ) বিভাগীয় কমিশনারের

ঘ) সরকারের

সঠিক উত্তর: (গ)

২০.শাসন বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয় সংসদে –

  1. নিন্দা প্রস্তাবের মাধ্যমে
  2. মুলতুবি প্রস্তাবের মাধ্যমে

iii. অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (ঘ)

২১.কোনটি প্রাচীন স্থানীয় প্রতিষ্ঠান?

ক) উপজেলা পরিষদ

খ) জেলা পরিষদ

গ) পৌরসভা

ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ

সঠিক উত্তর: (ঘ)

২২.এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা আছে এমন দেশের উদাহরণ নিচের কোনটি?

ক) যুক্তরাষ্ট্র

খ) যুক্তরাজ্য

গ) ভারত

ঘ) বাংলাদেশ

সঠিক উত্তর: (ঘ)

২৩.সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দেয় কোন বিভাগ?

ক) বিচার

খ) শাসন

গ) নির্বাহী

ঘ) আইন

সঠিক উত্তর: (ক)

২৪.বর্তমানে বাংলাদেশে মোট কতটি পৌরসভা আছে?

ক) ৩০০

খ) ৩১০

গ) ৩১৬

ঘ) ৩২৫

সঠিক উত্তর: (গ)

২৫.জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থীরা কাদের ভোটে নির্বাচিত হন?

ক) জনগণের

খ) মন্ত্রিদের

গ) সংসদ সদস্যদের

ঘ) সংসদের মহিলা সদস্যদের

সঠিক উত্তর: (গ)

২৬.বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি ইউনিয়ন পরিষদ আছে?

ক) ৪,৬৫২

খ) ৪,৪৬০

গ) ৪,৪৬৮                     ঘ) ৪,৪৮০

সঠিক উত্তর: (গ)

২৭.দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে –

  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. ভারতে

iii. ব্রিটেনে

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (ঘ)

২৮.বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনী অনুযায়ী জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০ করা হয়েছে?

ক) দ্বাদশ

খ) ত্রয়োদশ

গ) চতুর্দশ

ঘ) পঞ্চদশ

সঠিক উত্তর: (ঘ)

২৯.স্থানীয় শাসন বলতে বোঝায় –

  1. ইউনিয়ন শাসনব্যবস্থাকে
  2. জেলা শাসনব্যবস্থাকে

iii. উপজেলা শাসনব্যবস্থাকে

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (খ)

৩০.কোনটির ওপর জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব ন্যস্ত?

ক) সংবিধানের

খ) আদালতের

গ) সংসদের

ঘ) পুলিশের

সঠিক উত্তর: (খ)

৩১.কাকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিসভার গঠন ও কার্যাবলি নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয়?

ক) রাষ্ট্রপতিকে কেন্দ্র করে

খ) প্রধানমন্ত্রকে কেন্দ্র করে

গ) জাতীয় সংসদকে কেন্দ্র করে

ঘ) জেলা প্রশাসনকে কেন্দ্র করে

সঠিক উত্তর: (খ)

৩২.প্রধানমন্ত্রী কীভাবে মন্ত্রিসভা গঠন করেন?

ক) রাষ্ট্রপতির সাথে পরামর্শ করে

খ) সংসদ সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে

গ) একক ক্ষমতা ও ইচ্ছা মোতাবেক

ঘ) সংসদ সদস্য ও স্পিকারের পরামর্শ মোতাবেক

সঠিক উত্তর: (গ)

৩৩.বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী?

ক) পার্লামেন্ট

খ) ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি

গ) কংগ্রেস

ঘ) জাতীয় সংসদ

সঠিক উত্তর: (ঘ)

৩৪.জনাব কবির একজন সংসদ সদস্য। তিনি কোন ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারেন?

ক) মন্ত্রীকে

খ) সেনাপ্রধানকে

গ) ডেপুটি স্পিকারকে

ঘ) বিচারপতিকে

সঠিক উত্তর: (গ)

৩৫.একটি জেলা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা কতজন?

ক) ১৩

খ) ২১

গ) ১৮

ঘ) ১৭

সঠিক উত্তর: (খ)

৩৬.বাংলাদেশে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?

ক) একাদশ

খ) দ্বাদশ

গ) ত্রয়োদশ

ঘ) চতুর্দশ

সঠিক উত্তর: (খ)

৩৭.বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত কতবার সংশোধন করা হয়েছে?

ক) ১৩

খ) ১৪

গ) ১৫

ঘ) ১৬

সঠিক উত্তর: (গ)

৩৮.স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ফলে –

  1. কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যভার লাঘব হয়
  2. জাতীয় নেতৃত্ব সৃষ্টি হয়

iii. আমলাতান্ত্রিক রাজধানী টিকিয়ে রাখার জন্য

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (ক)

৩৯.বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রধান কর্মকর্তা কে?

ক) সচিব

খ) জেলা প্রশাসক

গ) বিভাগীয় কমিশনার

ঘ) অতিরিক্ত সচিব

সঠিক উত্তর: (গ)

৪০.সুপ্রিম কোর্টের এটর্নি জেনারেলকে কে নিয়োগ দেন?

ক) প্রধানমন্ত্রী

খ) স্পিকার

গ) রাষ্ট্রপতি

ঘ) ডেপুটি স্পিকার

সঠিক উত্তর: (গ)

৪১.বাংলাদেশে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কোন ব্যবস্থাটি প্রবর্তিত?

ক) যুক্তরাষ্ট্রীয়

খ) প্রাদেশিক

গ) এককেন্দ্রিক

ঘ) বহুকেন্দ্রিক

সঠিক উত্তর: (গ)

৪২.একটি ইউনিয়ন পরিষদে থাকবেন –

  1. একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান
  2. দশজন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য

iii. তিনজন নির্বাচিত মহিলা সদস্য

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (গ)

৪৩.বর্তমানে জাতীয় সংসদের আসন কতটি?

ক) ৩০০

খ) ৩১৫

গ) ৩৪৫

ঘ) ৩৫০

সঠিক উত্তর: (ঘ)

৪৪.কোনটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিষ্ঠান?

ক) গ্রাম সরকার

খ) ইউনিয়ন পরিষদ

গ) উপজেলা প্রশাসন

ঘ) বিভাগীয় প্রশাসন

সঠিক উত্তর: (খ)

৪৫.জাতীয় সংসদের ওপর ন্যস্ত –

  1. ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন
  2. ন্যায়পাল নির্বাচন

iii. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (খ)

৪৬.জেলা পরিষদের ঐচ্ছিক কাজ কোনটি?

ক) উপজেলা ও পৌরসভাকে সহায়তা

খ) জেলার সকল উন্নয়ন কার্যক্রমের পর্যালোচনা

গ) বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত

ঘ) আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি

সঠিক উত্তর: (গ)

৪৭.রাষ্ট্রীয় অর্থব্যয়ে জাতীয় সংসদ –

  1. তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখে
  2. প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করে

iii. প্রয়োজনে অনুমতি দেয়

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (ঘ)

৪৮.পুলিশ বিভাগে কর্মরত একজন সদস্য অসদুপায় অবলম্বন করল। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মূল কর্তৃত্ব কোন বিভাগের?

ক) আইন বিভাগ

খ) শাসন বিভাগ

গ) বিচার বিভাগ

ঘ) আপিল বিভাগ

সঠিক উত্তর: (খ)

৪৯.আমাদের জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন কতটি?

ক) ১৫

খ) ৪৫

গ) ৫০

ঘ) ৩০

সঠিক উত্তর: (গ)

৫০.বিচার বিভাগের প্রধান কাজ কী?

ক) অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া

খ) আইন মান্য করা

গ) আইন প্রণয়ন করা

ঘ) অপরাধীকে গ্রেফতার করা

সঠিক উত্তর: (ক)

৫১.সরকারের বিভিন্ন বিভাগ কাজ করে থাকে –

  1. রাষ্ট্রের উন্নয়নের লক্ষ্যে
  2. রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা দিতে

iii. একটি সুন্দর ও উন্নত জীবন নির্বাহের জন্য

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (গ)

৫২.রাষ্ট্রপতি কোন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন?

ক) দেশে কোনো ধরনের যুদ্ধ কিংবা গোলযোগ দেখা দিলে

খ) দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে

গ) দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করার প্রয়োজন দেখা দিলে

ঘ) দেশের সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন দরকার হলে

সঠিক উত্তর: (ক)

৫৩.বাংলাদেশের আমলাতান্ত্রিক নির্দেশগুলো কীভাবে যায়?

ক) সচিব থেকে সহকারী সচিব পর্যন্ত

খ) নিচ থেকে ওপরের দিকে

গ) ওপর থেকে নিচের দিকে

ঘ) মন্ত্রণালয় থেকে জেলা পর্যন্ত

সঠিক উত্তর: (গ)

৫৪.কোনো দেশের আইনসভা কেমন হতে পারে?

ক) এককক্ষবিশিষ্ট

খ) দ্বিকক্ষবিশিষ্ট

গ) এককক্ষ এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট

ঘ) তিনকক্ষবিশিষ্ট

সঠিক উত্তর: (গ)

৫৫.আদালত মানুষের আশ্রয়স্থল –

  1. ন্যায়বিচার লাভের জন্য
  2. আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য

iii. অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (গ)

৫৬.জেলার বিভিন্ন কার্যক্রম সঠিকভাবে পালনের জন্য জেলা প্রশাসককে কী বলা যায়?

ক) জেলার পরিচালক, তত্ত্বাবধায়ক ও নিয়ন্ত্রক

খ) জেলার প্রধান শাসক ও পর্যবেক্ষক

গ) জেলার প্রধান বিচারক ও রাজস্ব কর্মকর্তা

ঘ) জেলার প্রধান প্রকৌশলী ও নিয়ন্ত্রক

সঠিক উত্তর: (ক)

৫৭.দেশের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কোন বিভাগের ওপর ন্যস্ত?

ক) শাসন বিভাগের ওপর

খ) বিচার বিভাগের ওপর

গ) জাতীয় সংসদের ওপর

ঘ) গ্রাম আদালতের ওপর

সঠিক উত্তর: (গ)

৫৮.কোনটি প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত?

ক) পরিদপ্তর

খ) বোর্ড

গ) কর্পোরেশন               ঘ) অধিদপ্তর

সঠিক উত্তর: (ঘ)

৫৯.বর্তমানে দেশে উপজেলার সংখ্যা কতটি?

ক) ৪৮০টি

খ) ৪৯০টি

গ) ৪৮৫টি

ঘ) ৫১০টি

সঠিক উত্তর: (গ)

৬০.মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদবি কী?

ক) সচিব

খ) মন্ত্রী

গ) উপসচিব

ঘ) কমিশনার

সঠিক উত্তর: (ক)

৬১.যেকোনো দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রযোজনে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন কে?

ক) স্পিকার

খ) প্রধান বিচারপতি

গ) প্রধানমন্ত্রী

ঘ) রাষ্ট্রপতি

সঠিক উত্তর: (ঘ)

৬২.মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কী?

ক) ডায়েট

খ) কংগ্রেস

গ) নেচেট

ঘ) হাউজ অব কমন্স

সঠিক উত্তর: (খ)

৬৩.রাষ্ট্রে বিচার বিভাগের কাজ –

  1. আইন ভঙ্গকারীকে শাস্তি দেওয়া
  2. ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা

iii. আইন বিভাগকে সহযোগিতা করা

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (ক)

৬৪.জেলা প্রশাসন প্রশাসনিক কাঠামোর কোন স্তরে অন্তর্ভুক্ত?

ক) দ্বিতীয়

খ) তৃতীয়

গ) চতুর্থ

ঘ) পঞ্চম

সঠিক উত্তর: (খ)

৬৫.অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রের আইনসভা কী নামে পরিচিত?

ক) ডায়েট

খ) মজলিশ

গ) কংগ্রেস

ঘ) জাতীয় সংসদ

সঠিক উত্তর: (খ)

৬৬.‘বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে’ – সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে একথা বলা হয়েছে?

ক) ৬৩

খ) ৬৪

গ) ৬৫

ঘ) ৬৬

সঠিক উত্তর: (গ)

৬৭.কোনটির অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দালানকোঠা নির্মাণ করতে হয়?

ক) জেলা পরিষদের

খ) উপজেলা পরিষদের

গ) পৌরসভার

ঘ) ইউনিয়ন পরিষদের

সঠিক উত্তর: (গ)

৬৮.সংসদে প্রণীত আইন কীভাবে কার্যকর হয়?

ক) স্পিকারের অনুমোদনের পর

খ) রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর

গ) প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি লাভের পর

ঘ) স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি লাভের পরে

সঠিক উত্তর: (খ)

৬৯.প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শে কে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন?

ক) রাষ্ট্রপতি

খ) স্পিকার

গ) ডেপুটি স্পিকার

ঘ) সংসদ উপনেতা

সঠিক উত্তর: (ক)

৭০.মহাহিসাবরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদে নিয়োগ দেন কে?

ক) রাষ্ট্রপতি

খ) প্রধানমন্ত্রী

গ) সচিব

ঘ) স্পিকার

সঠিক উত্তর: (ক)

৭১.ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষা করে কোন বিভাগ?

ক) নির্বাহী

খ) বিচার

গ) শাসন

ঘ) আইন

সঠিক উত্তর: (খ)

৭২.স্থানীয় প্রশাসনের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে –

  1. আইনশৃঙ্খলা রক্ষা
  2. জনকল্যাণমূলক কাজ বাস্তবায়ন

iii. রাজস্ব আদায়

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i ও ii

খ) ii ও iii

গ) i ও iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (গ)

৭৩.কোনো সাজাপ্রাপ্ত আসামির জন্য রাষ্ট্রপতি কী করতে পারেন?

ক) সাজা বাড়াতে পারেন

খ) সাজা কমাতে কেবল সুপারিশ করতে পারেন

গ) সাজা রহিত করতে পারেন

ঘ) কিছু্ই করতে পারেন না

সঠিক উত্তর: (গ)

৭৪.ইউনিয়ন পরিষদের গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয় কত সালে?

ক) ১৯৭৬

খ) ১৯৮৫

গ) ১৯৯৭

ঘ) ১৯৯৮

সঠিক উত্তর: (গ)

৭৫.বাংলাদেশের সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনী আনা হয় কত সালে?

ক) ১৯৯১

খ) ১৯৯৩

গ) ১৯৯৭

ঘ) ২০০১

সঠিক উত্তর: (ক)

৭৬.মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে কী বলা হয়?

ক) মন্ত্রী

খ) মহাপরিচালক

গ) সচিব

ঘ) পরিচালক

সঠিক উত্তর: (গ)

* উদ্ধৃত অংশটুকু পড় এবং নিচের ২টি প্রশ্নের উত্তর দাও:

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্য হবে ৩৩০ জন। ৩০০ জন নির্বাচিত এবং ৩০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। বর্তমানে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি করে ৫০-এ উন্নীত করা হয়েছে।

৭৭.সংসদের মহিলা সদস্যগণ নির্বাচিত হন –

  1. সাধারণ ভোটে
  2. সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে

iii. জনগণের ভোটে

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) i

খ) ii

গ) iii

ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর: (খ)

৭৮.যুদ্ধ ঘোষণা বা কোনো যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য কার অনুমতি নিতে হবে?

ক) আইন বিভাগ

খ) বিচার বিভাগ

গ) শাসন বিভাগ

ঘ) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

সঠিক উত্তর: (ক)

গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন- ১ ল্ফল্ফ ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলি

রাশেদ সাহেব বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন প্রতিষ্ঠানের একজন নির্বাচিত সদস্য । তিনি ছাড়া সেখানে আরও ১২ জন সদস্য আছেন। তিনি তার এলাকায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা নিরসন, কৃষি উপকরণ বিতরণ ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করেন।

ক. জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর কততম স্তর? ১

খ. স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়? ২

গ. রাশেদ সাহেব বাংলাদেশের যে সথানীয় প্রতিষ্ঠানের সদস্য তার গঠন ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. রাশেদ সাহেবের কাজগুলো উক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য যথেষ্ট বলে মনে কর কি? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন কর। ৪

উত্তরঃ- ক জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় স্তর।

উত্তরঃ- খ স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয় এবং ঐ জনগণের নিকট তা দায়িত্বশীল থাকে। এ ধরনের শাসনব্যবস্থা হচ্ছে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ।

উত্তরঃ- গ রাশেদ সাহেব বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। প্রতিষ্ঠানটি এদেশের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন স্থানীয় প্রতিষ্ঠান। উদ্দীপকে এ তথ্যটির নির্দেশ রয়েছে। উপরন্তু উক্ত প্রতিষ্ঠানে তিনি ছাড়া আরও ১২ জনের সদস্য আছেন যা ইউনিয়ন পরিষদের বৈশিষ্ট্য। ১৯৯৭ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধিত আইনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। গড়ে ১০-১৫টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত। এর একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, নয়জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিনজন নির্বাচিত মহিলা সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) থাকবেন। সংশোধিত আইনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৯টিতে উন্নীত করা হয়েছে। প্রত্যেক ওয়ার্ড থেকে ১ জন করে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ৯ জন সাধারণ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন। মহিলা সদস্যগণ প্রতি ৩ ওয়ার্ডে ১ জন এই ভিত্তিতে পুরুষ ও মহিলা সকলের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।

উত্তরঃ- ঘ উদ্দীপকের রাশেদ সাহেব ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হিসেবে তার এলাকায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা নিরসন, কৃষি উপকরণ বিতরণ ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করেন। ইউনিয়ন পরিষদের জন্য এ কাজগুলো যথেষ্ট নয়। তার এ কাজগুলো জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণমূলক। যদিও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় ও জনকল্যাণমূলক কাজের সবগুলো উদ্দীপকে রাশেদ সাহেবের কাজে নির্দেশিত হয়নি। উপরন্তু ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে। ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রমও ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনা করে। যেমন, সচিব, গ্রাম পুলিশ ও পরিষদের অন্যান্য কর্মচারীদের পরিচালনা, তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা। ইউনিয়ন পরিষদের ঐচ্ছিক কার্যাবলির পরিবর্তিত কম বিস্তৃত নয়। বরং ইউনিয়নের সার্বিক, টেকসই উন্নয়নে ঐচ্ছিক কাজগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। আর স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল উদ্দেশ্যও তাই। সুতরাং আলোচিত যুক্তিমালার আলোকে আমি মনে করি, রাশেদ সাহেবের কাজগুলো ইউনিয়ন পরিষদের জন্য যথেষ্ঠ নয়।

প্রশ্ন- ২ ল্ফল্ফ জেলা প্রশাসন ও তার কার্যাবলি

সপ্রতি ‘কোমেন’ নামে একটি ঘূর্ণিঝড় উপক‚লীয় জেলার উপরে আঘাত হানে। তাতে ঐ অঞ্চলের অনেক ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উপক‚লীয় জেলায় নিয়োজিত জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের মধ্যে নানা ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা দেন এবং বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। কারণ তিনি নিজেকে উক্ত জেলার জনগণের বন্ধু ও পথপ্রদর্শক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান।

ক. ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত? ১

খ. অভিশংসন বলতে কী বোঝায়? ২

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত কোমেনে ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সাহায্য-সহযোগিতা জেলা প্রশাসকের কোন ধরনের কর্মকাণ্ডের অন্তর্ভুক্ত বিশ্লেষণ কর। ৩

ঘ. উক্ত জেলা প্রশাসককে জনগণের প্রকৃত বন্ধু ও পথপ্রদর্শক হতে হলে যে সমস্ত কাজ করা উচিত, তা সংক্ষেপে আলোচনা কর। ৪

উত্তরঃ- ক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৩ জন।

উত্তরঃ- খ অভিশংসন-এর আভিধানিক অর্থ প্রকাশ্যে দোষারোপ। ব্যবহারিক অর্থে দেশের রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের প্রক্রিয়াকে অভিশংসন বলা হয়। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করতে পারে। সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারে। প্রয়োজনে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও ন্যায়পালকে অপসারণ করার ক্ষমতাও সংসদের রয়েছে।

উত্তরঃ- গ উদ্দীপকে বর্ণিত কোমেন-এ ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সাহায্য-সহাযোগিতা জেলা প্রশাসকের মানবতামূলক কাজের বহিঃপ্রকাশ। দুর্যোগকালীন মুহ‚র্তে জেলা প্রশাসক মানবতার সেবামূলক ভ‚মিকায় অবতীর্ণ হন। এ সময় তিনি জেলার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং বাজার যেন জনগণের নাগালের বাইরে চলে না যায় সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। দুর্যোগকালীন মুহ‚র্ত যেমন : বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টনের্ডো, ভ‚মিকম্প, অনাবৃষ্টি ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে জনগণের জন্য সেবামূলক কাজের দ্বারা তাদের দুঃখ দুর্দশা দূর করতে সচেষ্ট হন। এ সময় তিনি কেন্দ্রীয়ভাবে বরাদ্দকৃত অর্থ, কাপড়, ওষুধ উক্ত এলাকায় বিতরণ করেন।

উত্তরঃ- ঘ জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্যই জেলার একজন বন্ধু হিসেবে পরিগণিত হন। জেলা প্রশাসককে জনগণের প্রকৃত বন্ধুও পথপ্রদর্মক হতে হলে বহুবিধ কাজ করা উচিত। বাংলাদেশ সচিবালয়ে গৃহীত শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা বাস্তবায়ন করা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজ তদারক করা ইত্যাদি জেলা প্রশাসনের শাসন সংক্রান্ত কাজ। আবার জেলা প্রশাসক প্রধান কালেক্টর হিসেবে জেলার ভ‚মি রাজস্ব ও অন্যান্য কর ধার্য ও আদায় করেন। জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত সরকারি সকল দপ্তরের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করেন এবং জেলা প্রশাসক স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেখাশুনা করেন। তিনি এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে জনগণের জন্য সেবামূলক কাজের দ্বারা তাদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে সচেষ্ট হন যেটি উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে। কার্যক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক একজন প্রথম শ্রেণির বিচারক হিসেবে ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি করেন। জেলার শিক্ষা বিষয়ক সকল প্রকার তত্ত¡াবধান এবং জাতীয় দিবসসহ উদযাপন ও বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। জেলার পুলিশ সুপারের সহযোগিতায় নিজ জেলায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করেন। উপরিউক্ত সকল কাজ সমূহ যদি উদ্দীপকে উল্লিখিত জেলা প্রশাসক যথাযথভাবে করতে পারেন তবেই তিনি ঐ জেলার জনগণের প্রকৃত বন্ধু ও পথপ্রদর্শক হতে পারবেন বলে আমি মনে করি। অর্থাৎ উপরিউক্ত কার্যাবলিই ঐ জেলাপ্রশাসকের করা উচিত।

প্রশ্ন- ৩ ল্ফল্ফ জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি

ক. কে সংসদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রিসভার মূল স্তম্ভ? ১

খ. উপজেলা পরিষদের গঠন ব্যাখ্যা কর। ২

গ. ‘?’ চিহ্নিত স্থানের ব্যক্তিটি কে? তার কার্যাবলি বর্ণনা দাও। ৩

ঘ. উক্ত ব্যক্তির সঠিক ব্যবস্থাপনাই ঐ অঞ্চলের সার্বিক উন্নতি নির্ভরশীলবিশ্লেষণ কর। ৪

উত্তরঃ- ক প্রধানমন্ত্রী সংসদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রীসভার মূল স্তম্ভ।

উত্তরঃ- খ আইনের বিধান অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ গঠিত হবে চেয়ারম্যান, ২ জন ভাইস চেয়ারম্যান, যার মধ্যে একজন নারী, উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান; উপজেলার এলাকাভুক্ত পৌরসভার মেয়র এবং সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত মহিলা সদস্যগণের।

উত্তরঃ- গ ‘?’ চিহ্নিত স্থানের ব্যক্তিটি হলেন জেলা প্রশাসক। কেননা প্রদত্ত ছকে যে কাজের ধারা উল্লেখ করা হয়েছে তা জেলা প্রশাসকের কাজের বৈশিষ্ট্যকেই উপস্থাপন করে। বাংলাদেশ সচিবালয়ে গৃহীত শাসনসংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা বাস্তবায়ন করা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজ তদারক করা, সরকারি নীতি নির্ধারণ এবং সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় সরকারকে সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করা জেলা প্রশাসনের শাসন সংক্রান্ত কাজ। জেলা প্রশাসক প্রধান কালেক্টর হিসেবে জেলার ভ‚মি রাজস্ব ও অন্যান্য কর ধার্য ও আদায় করেন। সমন্বয় সাধন সংক্রান্ত বিষয় জেলা প্রশাসকের ভ‚মিকা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত সরকারি সকল দপ্তরের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করেন। তিনি জেলার শিক্ষাবিষয়ক সকল প্রকার তত্ত¡াবধান এবং জাতীয় দিবস উদযাপন ও বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডও পরিচালনা করেন। এছাড়াও তিনি উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের তত্তাবধায়ক হিসেবে কাজ করেন। প্রথম শ্রেণির বিচারক হিসেবে ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি ও রাজস্ব সংক্রান্ত বিবাদের সমাধান করে থাকেন। জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান। আগ্নেয়াস্ত্র, স্পিরিট ও বিষ প্রভৃতি লাইসেন্স প্রদানের দায়িত্ব তাঁর ওপরই ন্যস্ত। আর জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের নিকট জবাবদিহি করেন।

উত্তরঃ- ঘ ছকচিত্রে উক্ত ব্যক্তি তথা জেলা প্রশাসকের সঠিক ব্যবস্থাপনাই জেলার সার্বিক উন্নতি নিশ্চিত করতে পারে। জেলা প্রশাসক হলেন জেলার মধ্যমণি। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য ও প্রশাসনের প্রধান কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনারের পরই তার স্থান। তাকে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসনব্যবস্থা আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান। বাংলাদেশ সচিবালয়ে জেলা সংক্রান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়। জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন। আর জেলা প্রশাসকদের কেন্দ্র করেই জেলার প্রশাসন পরিচালিত ও আবর্তিত। জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভগীয় কমিশনারের কাছে দায়ী। বিভাগীয় কমিশনার আবার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য কেন্দ্রের নিকট দায়ী। বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে জেলা ও কেন্দ্রের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়। সুতরাং জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক। আর তাই বলা যায়, জেলা প্রশাসকের সঠিক ব্যবস্থাপনাই ঐ জেলার সার্বিক উন্নতি নির্ভরশীল।

প্রশ্ন- ৪ ল্ফল্ফ নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা

অ জাতির মুখপাত্র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

ই পদমর্যাদায় সবার উপরে, নিয়মতান্ত্রিক প্রধান

ছক : নির্বাহী বিভাগের দুজনের ক্ষমতার পার্থক্য

ক. অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রের আইনসভা কী নামে পরিচিত? ১

খ. কেন্দ্রীয় প্রশাসন কী? ব্যাখ্যা কর। ২

গ. ছকে উল্লিখিত ‘ই’ ব্যক্তির দণ্ড মার্জনা করার ক্ষমতা ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. উদ্দীপকের ‘অ’ ব্যক্তি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেও প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ ‘ই’ ব্যক্তির নামেই পরিচালিত হয়। উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর। ৪

উত্তরঃ- ক অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্রের আইনসভা মজলিশ নামে পরিচিত।

উত্তরঃ- খ বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা এককেন্দ্রিক। বিশ্বের অন্যান্য দেশের এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার মতো বাংলাদেশেও সচিবালয় প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ। সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়। এই গৃহীত সিদ্ধান্ত ধাপে ধাপে নিচের স্তরে প্রেরিত হয়। তাই সচিবালয় কেন্দ্রিক এদেশের প্রশাসনকে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বলে।

উত্তরঃ- গ ছকে উল্লিখিত ‘ই’ ব্যক্তি হচ্ছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। ছকের তথ্য অনুসারে পদমর্যাদায় সবার উপরে। নিয়মতান্ত্রিক প্রধান দেশের রাষ্ট্রপতিরই মর্যাদার প্রতিফলন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান। সবার উর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন। সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দণ্ড মওকুফের ক্ষমতা রয়েছে। তার ক্ষমতা রয়েছে যেকোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার। কোনো আদালত, ট্রাইবুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যেকোনো দণ্ড তিনি মার্জনা করতে পারেন।

উত্তরঃ- ঘ উদ্দীপকের ‘অ’ ব্যক্তি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যিনি জাতির মুখপাত্র এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তবে প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ ‘ই’ ব্যক্তি তথা রাষ্ট্রপতির নামেই পরিচালিত হয়। বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। আর সংসদীয় ব্যবস্থার অধীনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা অনেক উপরে। তিনি শাসনব্যবস্থার কার্যকর নেতৃত্ব দান করেন। কিন্তু সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান। পদমর্যাদায় তিনি সবার উপরে। তার হাতে কানো নির্বাহী ক্ষমতা নেই। কিন্তু সংবিধান ও আইন অনুযায়ী প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন। প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামেই পরিচালিত হয়। এ কারণেই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ সত্য বলে বিবেচিত হয়।

প্রশ্ন- ৫ ল্ফল্ফ ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলি

মিসেস সোফিয়া ও তার চেয়ারম্যান ভাইয়ের কথোপকথন :

মিসেস সোফিয়া : ভাইয়া তোমার পরিষদের সবাইকে ঈদের দাওয়াত দাওনি? মাত্র তো বারজন এলেন।

চেয়ারম্যান : কেন সবাই এসেছেন। সারা দেশেই তো এ ধরনের পরিষদের সদস্য সংখ্যা একই।

মিসেস সোফিয়া : তুমি নাকি এলাকায় বিধবা ভাতা, উন্নত বীজ, সার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করে ভালোই সুনাম করেছ?

চেয়াম্যান : চেষ্টা তো করছি। তবে গ্রামে চোরের উপদ্রব বেড়ে গেছে।

ক. কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সর্ব নিম্নস্তরের কর্মকর্তা কে? ১

খ. জাতীয় সংসদ কীভাবে বিচার বিষয়ক ক্ষমতা প্রয়োগ করে? ২

গ. মিসেস সোফিয়ার ভাই যে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান তার প্রশাসনিক কাজ ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. উক্ত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি কতটুকু সফল তা মূল্যায়ন কর। ৪

উত্তরঃ- ক কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সর্ব নিম্নস্তরের কর্মকর্তা হলেন সহকারী সচিব।

উত্তরঃ- খ সংসদ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে। সংবিধান লঙ্ঘন গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারে। প্রয়োজনে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও ন্যায়পালকে অপসারণ করার ক্ষমতাও সংসদের রয়েছে। এ জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিচার সংক্রান্ত কাজ সংসদ পরিচালনা করে।

উত্তরঃ- গ মিসেস সোফিয়ার ভাই স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। কেননা ইউনিয়ন পরিষদে একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও বারজন সাধারণ সদস্য থাকে। উদ্দীপকে যা উল্লিখিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন। তার প্রশাসনিক কাজগুলোও অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রশাসনিক কাজ হিসেবে সচিব, গ্রামপুলিশ ও পরিষদের অন্যান্য কর্মচারীদের পরিচালনা, তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়াও তিনি সকল সভা আহŸান, বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রণয়ন ও প্রেরণ করা, কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন ইত্যাদি করে থাকেন।

উত্তরঃ- ঘ উদ্দীপকের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তার দায়িত্ব পালনে যথেষ্ট সজাগ ও সচেতন। উদ্দীপকে এর ইঙ্গিত রয়েছে। চেয়ারম্যান সাহেব বেশ সুনামের সাথে তার এলাকায় কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বিধবা ভাতা, উন্নত বীজ, সার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করেছেন। এর দ্বারা বোঝা যায় তিনি জনকল্যাণমূলক কাজ ও সেবামূলক কাজে বেশ সফল হয়েছেনে। চোরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় জনশৃঙ্খলা রক্ষায় তার ইউনিয়নে সমস্যা দেখা দিয়েছে যা তার দৃষ্টিতে ধরা পড়েছে। তাই তিনি তা বন্ধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সুতরাং উপরিউক্ত বর্ণনা অনুসারে বলা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সম্পূর্ণভাবে সফল হয়েছেন।

প্রশ্ন- ৬  আইন ও শাসন বিভাগ

কানিজের পিতা সরকারের একটি শাখার সদস্য। তিনি তার এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকিসহ আইন প্রণয়নে সরকারকে সহযোগিতা করেন। তিনি সরকারের ভালো কাজের প্রশংসা এবং মন্দ কাজের সমালোচনা করেন।

ক. প্রাচীন গ্রিসে নগররাষ্ট্রগুলোতে কী ধরনের গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল? ১

খ. স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝ? ২

গ. কানিজের পিতা সরকারের যে শাখার সদস্য তার গঠন ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. কানিজের পিতার শেষোক্ত কাজটির মাধ্যমে কি প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। ৪

উত্তরঃ- ক প্রাচীন গ্রিসে নগররাষ্ট্রগুলোতে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল।

উত্তরঃ- খ ১নং সৃজনশীল প্রশ্নে খ এর উত্তর দ্রষ্টব্য।

উত্তরঃ- গ কানিজের পিতা সরকারের শাখা আইন বিভাগের সদস্য। উদ্দীপকে দেখা যায়, তিনি এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকিসহ আইন প্রণয়নে সরকারকে সহযোগিতা করেন। সরকারের তিনটি বিভাগের একটি আইন বিভাগ। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো দেশের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা। আইন বিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা। আইনসভা নির্বাচিত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত। এটি আইন প্রণয়ন করে। আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। বাংলাদেশের আইনসভার নাম ‘জাতীয় সংসদ’। জাতীয় সংসদ আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইন বিভাগ সরকারের একটি অংশ। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। তারা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন। সংরক্ষিত আসন ছাড়াও মহিলারা সাধারণ আসনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে পারবেন। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাাচিত হবেন। সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

উত্তরঃ- ঘ কানিজের পিতার শেষোক্ত কাজটির মাধ্যমে প্রশাসনকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত এবং এই নিয়ন্ত্রণটি আইন বিভাগের দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রীসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে। উদ্দীপকে কানিজের বাবাও সরকারের ভালো কাজের প্রশংসা এবং মন্দ কাজের সমালোচনা করেন। ফলে সরকারকে সকল শাসন সংক্রান্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের উপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। কিন্তু প্রশাসনকে শুধু এর দ্বারাই নিয়ন্ত্রণ করা যায় না বরং সংসদ মূলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রীসভার পদত্যাগ। ঐ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রশ্ন- ৭ ল্ফল্ফ আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ

বিভাগ কাজ

ঢ আইন প্রণয়ন করে।

ণ শাসনকার্য পরিচালনা করে।

ত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

ক. নাগরিকের প্রধান কর্তব্য কোনটি? ১

খ. আইনের অনুশাসন বলতে কী বোঝায়? ২

গ. বাংলাদেশের ‘ত’ বিভাগটির গঠন ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. “বাংলাদেশে ‘ণ’ বিভাগটি ‘ঢ’ বিভাগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। ৪

উত্তরঃ- ক নাগরিকের প্রধান কর্তব্য রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা।

উত্তরঃ- খ রাষ্ট্রে আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সকল নাগরিক সমানভাবে স্বাধীনতা ও রাষ্ট্র প্রদত্ত সুযোগ সুবিধা পেতে পারে। কেউ কারও অধিকার ক্ষুণœ করতে পারে না। সাধারণভাবে আইনের অনুশাসন দুইটি ধারণা প্রকাশ করে। যথা : (ক) আইনের প্রাধান্য ও (খ) আইনের দৃষ্টিতে সকলের সাম্য। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আইনের অনুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরঃ- গ বাংলাদেশে ‘ু’ বিভাগটি হচ্ছে বিচারবিভাগ। এ বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে। বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য এবং স্বাধীনতা বাংলাদেশ সংবিধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ন্যায় ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুসংগঠিত ও সুপরিচালিত। বাংলাদেশের বিচার বিভাগ উচ্চ আদালত (হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট) এবং অধস্তন আদালত সমন্বয়ে গঠিত। বাংলাদেশ সংবিধানে বিচারকদের নিয়োগ সংক্রান্ত যোগ্যতার শর্তাবলি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নিয়োগের শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে বিচারকদের নিয়োগ করে। এটাই হলো এদেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বর্তমানে অধিকাংশ রাষ্ট্রই সাধারণত শাসন বিভাগের প্রধান কর্তৃক বিচারপতি নিয়োগ করে থাকে। প্রধান বিচারপতি ও উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের নিয়োগ সাধারণত রাষ্ট্রপতি দিয়ে থাকেন। তবে অধ:স্তন আদালতসমূহের বিচারকগণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। আর এসব বিচারকদের নিয়েই বিচার বিভাগ গঠিত।

উত্তরঃ- ঘ বাংলাদেশে ‘ু’ বিভাগটি হচ্ছে শাসন বিভাগ এবং ‘ী’ বিভাগটি হচ্ছে আইন বিভাগ। বাংলাদেশে শাসন বিভাগ আইন বিভাগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত। বস্তুত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত এবং এই নিয়ন্ত্রণটি আইন বিভাগের দ্বারা কার্যকর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রীসভাকে শাসন সংক্রান্ত সকল কাজের জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকতে হয়। সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। সংসদ সরকারের যে কোনো ভালো কাজের যেমন প্রশংসা করতে পারে তেমনি সরকারের যে কোনো মন্দ কাজের সমালোচনাও করতে পারে।সরকারকে সকল শাসন সংক্রান্ত কাজের জন্য সংসদের দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের প্রতি মনোযোগ দিতে হয়। সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের উপর সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে। সংসদ মূলতবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যমে শাসন বিভাগের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। সংসদ সদস্যের আস্থা হারালে যে কোনো মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীও পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অর্থ হলো, সম্পূর্ণ মন্ত্রীসভার পদত্যাগ। ঐ অবস্থা হলে দেশে আবার নতুন করে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ আলোচনার প্রেক্ষিতে সুস্পষ্ট হয় যে, বাংলাদেশেও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে শাসন বিভাগ আইন বিভাগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

প্রশ্ন- ৮ ল্ফল্ফ স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন

সংস্থা কাজ

ঈ জনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনকল্যাণমূলক কাজ ও সেবা প্রশাসনিক কাজ

উ পরিকল্পনামূলক, জননিরাপত্তামূলক বাসস্থান সংক্রান্ত

ক. গণতন্ত্র কত প্রকার? ১

খ. জাতিসংঘের যে কোনো একটি উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা কর। ২

গ. ‘ঈ’ সংস্থাটির সাথে বাংলাদেশের কোন স্থানীয় সরকারের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. “গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে উক্ত সংস্থাগুলোর ভ‚মিকা গুরুত্বপূর্ণ”Ñ উক্তিটি মূল্যায়ন কর। ৪

উত্তরঃ- ক গণতন্ত্র দুই প্রকার।

উত্তরঃ- খ জাতিসংঘের উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে একটি হচ্ছে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর বিবাদ ও সংঘর্ষ রোধ করা।এক রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের ওপর যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারে সে লক্ষ্যে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এরপরও বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বিবাদ পরিলক্ষিত হয়। এর ফলে বিশ্বশান্তি বিনষ্ট হয়। তাই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিবাদ মীমাংসায় আন্তর্জাতিক আদালত গঠন করা হয়।

উত্তরঃ- গ প্রশ্নে উল্লেখিত ‘ঈ’ সহংস্থাটির সাথে বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদের মিল রয়েছে। উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠানটির কাজ জনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনকল্যাণমূলক কাজ ও সেবা, প্রশাসনিক কাজ ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান কার্যাবলি নির্দেশ করে।

জনশৃঙ্খলা রক্ষা : গ্রামে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা ইউনিয়ন পরিষদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনের জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে কিছু চৌকিদার ও দফাদার নিয়োগ করা, অপরাধ, বিশৃঙ্খলা ও চোরাচালান বন্ধের জন্য ব্যবস্থা করে।

জনকল্যাণমূলক কাজ ও সেবা : ইউনিয়নে অবস্থিত কৃষি, স্বাস্থ্য, মৎস্য, পশুপালন ও শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি সংস্থার সেবা ও কার্যক্রম জনগণকে অবহিতকরণ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্থার কর্মসূচির অধীনে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ ও পয়:নিষ্কাশন, আত্মকর্মসংস্থান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা ইউনিয়ন পরিষদের প্রধানতম কার্যাবলির মধ্যে পড়ে।

প্রশাসনিক কাজ : সচিব, গ্রাম পুলিশ ও পরিষদের অন্যান্য কর্মচারীদের পরিচালনা, তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা, সকল সভা আহŸান, বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রণয়ন ও প্রেরণ করা, কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন ইত্যাদিও ইউনিয়ন পরিষদ করে থাকে।

উত্তরঃ- ঘ উদ্দীপকে ‘ঈ’ বলতে ইউনিয়ন পরিষদ এবং ‘উ’ বলতে পৌরসভাকে বুঝানো হয়েছে। গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার মতো স্থানীয় সরকার ব্যাপক ভূমিকা রাখে। আধুনিক কালে রাষ্ট্র পরিচারনার ক্ষেত্রে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের গুরুত্ব যে কত বেশি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বর্তমানে রাষ্ট্রের আয়তন ও জনসংখ্যা বিশাল। রাজধানীতে বসে কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে দেশের সর্বত্র সুষ্ঠুভাবে শাসন কার্য পরিচালনা, নানা বিষয়ে দৈনন্দিন নজর রাখা, স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও সঠিক সময়ে পদক্ষেপ গ্রহণ, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত এবং অঞ্চল নির্বিশেষে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা দ্বারা তা সম্ভবপর হয়। স্থানীয় শাসনের শ্রেষ্ঠত্ব হলো এই যে, এর ফলে কেন্দ্রের মুখাপেক্ষিতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা মুক্ত থেকে স্থানীয় পর্যায়ে এলাকা ভেদে বিশেষ প্রয়োজন, বৈচিত্র্য ও বাস্তবতার আলোকে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও স্থানীয় উন্নয়নে ত্বরিত উদ্যোগ বা পদক্ষেপ গ্রহণ সম্ভব হয়। এ ব্যবস্থা স্থানীয় শাসন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ, তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব সৃষ্টি এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভিত্তি বা বুনিয়াদকে সুদৃঢ় করতে সহায়ক হয়।

প্রশ্ন- ৯ ল্ফল্ফ জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি

অনন্তপুর ইউনিয়নের বিলাসবাড়ি গ্রামে অতি বৃষ্টির কারণে বন্যা সৃষ্টি হওয়ায় সেখানকার অধিবাসীরা দুর্যোগে পতিত হয়। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক দুর্গতদের সাহায্য ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

ক. সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা কত? ১

খ. স্থানীয় প্রশাসন বলতে কী বোঝায়? ২

গ. উদ্দীপকে বন্যায় দুর্গতদের জন্য ব্যবস্থাগ্রহণ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কোন ধরনের কাজের অন্তর্ভুক্ত? Ñব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. “জেলা প্রশাসক হলেন জেলার মধ্যমণি” Ñমূল্যায়ন কর। ৪

উত্তরঃ- ক সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদের সদস্য ৩৫০ জন।

উত্তরঃ- খ স্থানীয় প্রশাসন বলতে স্থানীয় পর্যায়ের বিভাগীয়/জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায়। প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ন্ত্রণকে নিম্ন পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য। যেমন আমাদের দেশে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসক এবং থানা/উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

উত্তরঃ- গ উদ্দীপকে বন্যায় দুর্গতদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মানবতামূলক কাজ। জেলা প্রশাসক জেলার প্রধান কর্মকর্তা হিসাবে বহুবিধ দায়-দায়িত্ব পালন করেন। ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক মানবতার সেবামূলক ভূমিকায়ও অবতীর্ণ হন। তিনি জেলার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে জনগণের জন্য সেবামূলক কাজের দ্বারা তাদের দু:খ দুর্দশা দূর করতে সচেষ্ট হন। তিনি জনককল্যাণমূলক কাজের জন্য বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান। এসময় কেন্দ্রীয়ভাবে বরাদ্দকৃত অর্থ, কাপড় ও ঔষধ জেলার জনগণের মধ্যে বিতরণ করেন।

উত্তরঃ- ঘ জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্যই জেলার মধ্যমণি হিসেবে পরিগণিত হন। তার বেশ কিছু কার্যাবলি তা স্পষ্ট করে তোলে। যেমন :

প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ : বাংলাদেশ সচিবালয়ে গৃহীত শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা বাস্তবায়ন করা তথা সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় সরকারকে সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতা করা জেলা প্রশাসনের শাসন সংক্রান্ত কাজ।

রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ : জেলা প্রশাসক প্রধান কালেক্টর হিসেবে জেলার ভূমি রাজস্ব ও অন্যান্য কর ধার্য ও আদায় করেন।

স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ : তিনি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেখাশোনা করেন। জেলার আওতাধীন উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে তত্ত¡াবধায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

মানবতামূলক কাজ : প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে জনগণের জন্য সেবামূলক কাজের দ্বারা তাদের দু:খদুর্দশা দূর করতে সচেষ্ট হন যেটি উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে।

বিচার সংক্রান্ত কাজ : জেলা প্রশাসক জেলার বিচারকও বটে। তিনি একজন প্রথম শ্রেণির বিচারক হিসেবে ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি করেন।

শান্তি রক্ষামূলক কাজ : জেলার পুলিশ সুপারের সহযোগিতায় নিজ জেলায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করেন।

এছাড়া জেলা প্রশাসক জেলার প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে বহুবিধ দায়দায়িত্ব পালন করেন।

কাজেই বলা যায়, “জেলা প্রশাসক হলেন জেলার মধ্যমণি” উক্তিটি সঠিক।

প্রশ্ন- ১০ ল্ফল্ফ ইউনিয়ন পরিষদ

রফিক সাহেব ১৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি স্থানীয় স্বায়ত্তশঅসিত প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। তিনি তার সদস্যদের সাথে আলোচনা ও মতামত নিয়ে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও সেবাধর্মী কাজ করেন। এলাকার কৃষি, গ্রামীণ শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সাথে পালন করে থাকেন।

ক. বাংলাদেশের আইনসভার নাম কী? ১

খ. জেলা পরিষদের গঠন বর্ণনা কর। ২

গ. রফিক সাহেব যে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান উক্ত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. ‘জনশৃঙ্খলা রক্ষা করা রফিক সাহেবের প্রতিষ্ঠানের একটি অন্যতম কাজ’তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? বিশ্লেষণ কর। ৪

উত্তরঃ- ক বাংলাদেশের আইনসভার জাতীয় সংসদ।

উত্তরঃ- খ বাংলাদেশ সরকার ৬ই জুলাই ২০০০ সালে জেলা পরিষদ আইনÑ ২০০০ প্রবর্তন করে। আইনের বিধান অনুযায়ী খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ও বান্দরবান পার্বত্য জেলাসমূহ ব্যতীত অন্য জেলায় জেলা পরিষদ গঠনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একজন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনের পাঁচজন মহিলা সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত। একটি নবগঠিত জেলা পরিষদের মেয়াদ বা কার্যকাল থাকবে পাঁচ বছর।

উত্তরঃ- গ রফিক সাহেব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। কেননা উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে রফিক সাহেব ১৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি স্থানীয় স্বায়ত্তশঅসিত প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। ইউনিয়ন পরিষদ আমাদের দেশে গ্রাম সমাজে উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যাবলিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা ১. প্রধান কার্যাবলি ও ২. ঐচ্ছিক কার্যাবলি। ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান কাজগুলো হচ্ছে (র) জনশৃঙ্খলা রক্ষা (রর) জনকল্যাণমূলক কাজ ও সেবা করা (ররর) স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন (রা) প্রশাসনিক কাজ করা। এছাড়া ঐচ্ছিক কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে; জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা, বিধবা, এতিম গরিব ও দুঃস্থ ব্যক্তিদের সাহায্যকরণ, প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাকরণ, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তদারকি এবং ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া, পরিষদ সংরক্ষণ ও বনায়ন, ইউনিয়নের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, পাঠাগার স্থাপন, উদ্যান ও খেলার মাঠের ব্যবস্থা, গণসংযোগ, সনদ প্রদান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকার্য সম্পাদন, দুঃস্থ ব্যক্তির তালিকা প্রুণয়ন, সকল প্রকার শুমারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন, সরকারি সম্পত্তি যেমন সড়ক, সেতু, খাল, বাঁধ, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, পল্লি বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি। সুতরাং ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।

উত্তরঃ- ঘ উদ্দীপকে জনশৃঙ্খলা রক্ষা করা রফিক সাহেবের প্রতিষ্ঠানের একটি অন্যতম কাজ এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত। কেননা ইউনিয়ন পরিষদের একটি প্রধান কাজ হলো জনশৃৃঙ্খলা রক্ষা করা। গ্রামে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা ইউনিয়ন পরিষদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ইউনিয়নে কিছু চৌকিদার ও দফাদার নিয়োগ করা, অপরাধ, বিশৃঙ্খলা ও চোরাচালান বন্ধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ, ঝগড়া-বিবাদ, দাঙ্গা-হাঙ্গামা নিরসনে ভূমিকা পালন, গ্রাম আদালত সম্পর্কিত দায়িত্ব সম্পাদন, পারিবারিক বিরোধের আপোষ-মীমাংসার উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রশ্ন- ১১ ল্ফল্ফ পৌরসভা

ক. মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে? ১

খ. স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়? ২

গ. ছকে প্রশ্নবোধক (?) চি‎ি‎হ্নত স্থানে কোন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ইঙ্গিত করা হয়েছে ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. “উক্ত প্রতিষ্ঠানটি কেবলমাত্র জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রমে সক্রিয়” Ñতুমি কি একমত? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। ৪

উত্তরঃ- ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন সচিব।

উত্তরঃ- খ ১ নং সৃজনশীল প্রশ্নের খ এর উত্তর দ্রষ্টেব্য।

উত্তরঃ- গ উদ্দীপকের ছকে প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে পৌরসভা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ডভিত্তিক কয়েকজন নির্বাচিত সদস্য নিয়ে পৌরসভা গঠিত হয়। সদস্যগণ কমিশনার নামে পরিচিত। দেশের সকল পৌরসভার সদস্য-সংখ্যা সমান নয়। পৌর এলাকার আয়তন ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে সদস্য সংখ্যা কমবেশি হতে পারে। বাংলাদেশে পৌরসভার সংখ্যা ছোট বড় মিলিয়ে ৩১৬টি। উদ্দীপকে এসব তথ্য সন্নিবেশতি হয়েছে। পৌরসভার কার্যকাল পাঁচ বছর। এছাড়া উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠানটির কাজের ধারায় পানীয় জলের ব্যবস্থা, আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পৌরসভার জনস্বাস্থ্যবিষয়ক কাজ নির্দেশ করে। সুতরাং ছকের (?) চিহ্নিত স্থানে পৌরসভাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

উত্তরঃ- ঘ উক্ত প্রতিষ্ঠান তথা পৌরসভা কেবলমাত্র জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রমে সক্রিয় এই বিষয়ে পামি একমত না। জনস্বাস্থ্য বিষয়ক পৌরসভার কাজ হচ্ছে সরকারি রাস্তা, পায়খানা, ডাস্টবিন, পয়ঃপ্রণালির ময়লা ও আবর্জনা অপসারণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ। তাছাড়া চিকিৎসা কেন্দ্র, মাতৃসদন, শিশু সদন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার, দূষিত ও ভেজাল খাদ্য ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা ইত্যাদি পৌরসভার জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজ। এছাড়া পৌরসভা শহর এলাকার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও উন্নয়নকল্পে বহুবিধ কাজ করে থাকে। যেমন : পরিকল্পনামূলক অনেক কাজ করে, জননিরাপত্তামূলক কাজ করে, বাসস্থান সংক্রান্ত কাজ, শিক্ষা সংক্রান্ত কাজ, রাস্তাঘাটের উন্নয়নমূলক কাজ, সমাজকল্যাণ সংক্রান্ত কাজ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সালিশী কার্যক্রম পরিচালনা ইত্যাদি। সুতরাং পৌরসভা কেবলমাত্র জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রমে সক্রিয়Ñ কথাটি ঠিক নয়।

প্রশ্ন- ১২ ল্ফল্ফ ইউনিয়ন পরিষদ

জমির মিয়া একজন গ্রামের জনপ্রতিনিধি। তার কাজের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হােলা দারিদ্র্য বিমোচন, স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ, আত্মকর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে তিনি ঐ সমস্ত কাজের পাশাপাশি সমাজের মারামারি, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ, মেয়েদের ওপর অবিচার ইত্যাদি বিষয়গুলোর বিচারকার্যও তিনি সম্পন্ন করে থাকেন।

ক. মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে? ১

খ. স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে কী বোঝায়? ২

গ. উল্লিখিত জমির মিয়া কোন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করছেন? সেটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর। ৩

ঘ. উক্ত প্রতিনিধির বর্তমানে করা কাজের নিরপেক্ষতা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর। ৪

উত্তরঃ- ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন সচিব।

উত্তরঃ- খ ১ নং সৃজনশীল প্রশ্নের খ এর উত্তর দ্রষ্টব্য।

উত্তরঃ- গ উদ্দীপকে উল্লিখিত জমির মিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। উদ্দীপকের জমির মিয়া দারিদ্র্য বিমোচন, স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ, আত্মকর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন ইত্যাদি কাজগুলো করে থাকেন। এগুলো ইউনিয়ন পরিষদের কাজ। তাছাড়া জনপথ ও রাজপথের ব্যবস্থা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা, বিধবা, এতিম গরিব ও দুঃস্থ ব্যক্তিদের সাহায্যকরণ, প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থাকরণ, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার তদারকি এবং ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া, পরিষদ সংরক্ষণ ও বনায়ন, ইউনিয়নের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, পাঠাগার স্থাপন, উদ্যান ও খেলার মাঠের ব্যবস্থা, গণসংযোগ, সনদ প্রদান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণকার্য সম্পাদন, দুঃস্থ ব্যক্তির তালিকা প্রুণয়ন, সকল প্রকার শুমারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন, সরকারি সম্পত্তি যেমন সড়ক, সেতু, খাল, বাঁধ, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণ, পল্লি বিদ্যুতায়নের উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি কার্যে ইউনিয়ন পরিষদ ভূমিকা রাখে। ১৯৯৭ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধিত আইনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। গড়ে ১০-১৫টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত। এর একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ন’জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিন জন নির্বাচিত মহিলা সদস্য (সংরক্ষিত আসনে)।

উত্তরঃ- ঘ জমির মিয়া মারামারি, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ, মেয়েদের ওপর অবিচার ইত্যাদি বিষয়গুলোর বিচারকার্যও বর্তমান প্রতিনিধি হিসেবে সম্পন্ন করেন। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে আশা করা যায়, তিনি নিরপেক্ষতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে স্বাধীন ও নিরপেক্ষতার বিচারকার্য সম্পন্ন করে থাকেন। এলাকায় যেকোনো মারামারি ও জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলে তিনি নিরপেক্ষতার সাথে মীমাংসা করেন। বিশেষ করে মেয়েদের প্রতি নানা রকম অপরাধ দেখা দেয় যথা মেয়েদের উত্তাক্ত করা, যৌতুক, পারিবারিক নির্যাতন ইত্যাদি বিষয়ে নিরপেক্ষতার সাথে সমাধান করেন। প্রকৃতপক্ষে এসব কাজ নিরপেক্ষতার সাথে করা তার দায়িত্ব। জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে তাই আশা করে। বস্তুত ইউনিয়ন পরিষদ ঝগড়া -বিবাদ, দাঙ্গা

Download From Google Drive

Download

আরো পড়ুনঃ-

Download From Yandex

Download