বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ অফিস সহায়ক পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান-২০২১

0
39

বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ অফিস সহায়ক পদের

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান-২০২১

পরীক্ষার তারিখঃ-২০/০২/২০২১

পদের নামঃ-অফিস সহায়ক

বাংলা প্রশ্ন সমাধানঃ-

১। অনুচ্ছেদ লিখুনঃ-আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

ভূমিকাঃ-

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি  আমি কি ভুলিতে পারি।”

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির জাতীয় জীবনে এক গৌরবময় ও ঐতিহ্যবাহী দিন। বাঙালির জাতীয় জীবনের সকল চেতনার উৎস হচ্ছে এ দিনটি। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করার ঐতিহাসিক দিন এটি। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্যে জীবন দিয়ে বাঙালি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাঙালির রক্তঝরা এ দিনটিকে সারা বিশ্বে স্মরণীয় করে রাখতে ইউনেস্কো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, সম্মান জানিয়েছে ভাষা শহীদদের প্রতি। তাই ২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালির জাতীয় জীবনে এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আর শুধু আমাদের মাতৃভাষা দিবস নয়। প্রতি বছর ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সারা বিশ্বে পালিত হবে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে। এ দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ করে বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ড. হুমায়ুন আদাজ বলেছেন,

‘আমি মুগ্ধ আমি প্রীতি, আমাকে স্বীকৃতি দিয়েছে, আমার প্রাণের কথা আমার ভাষায় জানাতে পারব বলে আমার হৃদয় স্পন্দন বেড়েছে। সত্যিই গর্বিত আমি।’

ভাষা আন্দোলনের আদি কথাঃ– পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বমূহুর্তে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব উপস্থাপ করেন। পূর্ববঙ্গ থেকে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এ প্রস্তাবের ঘোর বিরোধিতা করেন এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন (১১ শ্রাবণ, ১৩৫৪ বঙ্গাব্দ)। এভাবেই ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

বাংলা ভাষার প্রতি অবজ্ঞা ও অবহেলা : এ দেশের বহত্তম জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই উর্দুকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চালিয়ে দেয়ার হীন চক্রান্ত চলতে থাকে। ১৯৪৮ সালে রেসকোর্স উদ্যানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এর কিছুদিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর ঘোষণার পনরাবৃত্তি করলে তুমুল প্রতিবাদধ্বনি উচ্চারিত হয়।

ভাষা আন্দোলনঃ- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ১৯৪৮ সালের ঘোষণার পর থেকেই বাংলা ভাষার আন্দোলন জোরদার হতে থাকে। পশ্চিম পাকিস্তানি ডিক্টেটরগণ যতই বাংলা ভাষার বিরোধিতা করতে থাকে, বাংলা ভাষার আন্দোলন ততই জোরদার হয়। প্রাথমিকভাবে ছাত্ররা এ আন্দোলন চালিয়ে নিলেও পরবর্তী সময়ে গোটা দেশবাসী ছাত্রদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে। দেশবাসীর জোরালো সমর্থনে ছাত্রদের মনোবল আরো বেড়ে যায়, তারা দ্বিগুণ উৎসাহে সম্মুখপানে এগোতে থাকে।

একুশের স্মৃতিঃ- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে প্রাদেশিক পরিশদের অধিবেশনকে সামনে রেখে সমগ্র দেশে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন জোরদার করা হয়। পাকিস্তানি শাসক ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে সকল প্রকার মিটিং মিছিল ও সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কিন্তু বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদাদানে পত্যয়ী ছাত্রসমাজ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। সাথে সাথে পুলিশ মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বারসহ অনেকে নিহত হয়। এ হত্যাযজ্ঞ ও দমননীতির ফলে আন্দোলন আরো বেগবান হয়। ’৫২-র ভাষা আন্দোলন এ দেশের কবিসমাজকে করেছে তুমুল আলোড়িত। অনেক কবি অসংখ্য কবিতার মাধ্যমে এই ভাষা-আন্দোলনকে করেছেন বেগবান। ’৫২ এর ভাষা-আন্দোলনের প্রভাবে কবি শামসুল রাহমান রচনা করেছেন, ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ নামক বিখ্যাত কবিতাটি-

‘তোমাকে উপড়ে নিলে, বলো তবে কী থাকে আমার?

ঊনিশ শো’ বাহান্নোর দারুণ রক্তিম পুষ্পাঞ্জলি

বুকে নিয়ে আছো সগৌরবে মহীয়সী।’

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার স্বীকৃতি : ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবর সারা দেশে বিদ্যুৎবেগে পৌঁছে যায় এবং দেশবাসী প্রচণ্ড বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। অতঃপর পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। ১৯৫৬ সালের সংবিধানে সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিঃ- একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আর শুধু আমাদের মাতৃভাষা দিবস নয়। প্রতি বছর ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সারা বিশ্বে পালিত হবে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেস্কো)-এর সাধারণ পরিষদের ৩০তম পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশের সমর্থন নিয়ে সর্বসম্মতভাবে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’কে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ইউনেস্কোর প্রস্তাবে বলা হয়,

“১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাংলাদেশের অনন্য ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এবং ১৯৫২ সালের এই দিনের শহীদদের স্মৃতিকে সারা বিশ্বে স্মরণীয় করে রাখতে একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রতি বছর একুশে ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কোর ১৮৮টি সদস্য দেশ এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে উদ্‌যাপিত হবে।”

ইউনেস্কোর এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বের প্রায় ৫ হাজার ভাষা সম্মানিত হল এবং একবিংশ শতাব্দীর তথা দুই সহস্রাব্দ অর্থাৎ ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সারা বিশ্বব্যাপী প্রথম পালিত হল ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’। ইউনেস্কোর এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বের প্রায় ৫ হাজার ভাষা সম্মানিত হল এবং একবিংশ শতাব্দীর তথা ২০০১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে সারা বিশ্বব্যাপী প্রথম পালিত হয়েছিল ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’।

স্বাধিকার চেতনাঃ- ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির মধ্যে যে চেতনার উন্মেষ হয়, তার চরম বিস্ফোরণ ঘটে ঊনসত্তর থেকে একাত্তরে। একুশে ফেব্রুয়ারি তাৎপর্য শহীদ দিবস পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে নি; তা বাঙালির জাতীয় জীবনের সর্বত্র প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশের সমস্ত আন্দোলনের মূল চেতনা একুশে ফেব্রুয়ারি। তখন থেকেই বাঙালি উপলব্ধি করেছিল তার বাঙালি জাতীয়তাবোধ, তার সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী। এই সংগ্রামী চেতনাই বাংলার সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং রাজনৈতিক আন্দোলন এই দু’ধারাকে একসূত্রে গ্রথিত করে মুক্তিসংগ্রামের মোহনায় এনে দিয়েছে। আর এর পরিপ্রেক্ষিতেই ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য : ভাষা একটি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। আর এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ভাষা হচ্ছে শক্তিশালী হাতিয়ার। মাতৃভাষার প্রচলন কেবল ভাষাগত বৈচিত্র্য, বহু ভাষা-ভিত্তিক শিক্ষাকেই উৎসাহিত করবে না, তা ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উন্নয়ন ও অনুধাবনের ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য হল- সকল মাতৃভাষাকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া, যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া, বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা, দুর্বল বলে কোনো ভাষার ওপর প্রভুত্ব আরোপের অপচেষ্টা না করা, ছোট-বড় সকল ভাষার প্রতি সমান মর্যাদা প্রদর্শন। এ দিবসে প্রত্যেক ভাষাভাষী মানুষ নিজের মাতৃভাষাকে যেমন ভালোবাসবে তেমনি অন্য জাতির মাতৃভাষাকেও মর্যাদা দেবে। এভাবে একুশকে চেতনায় ধারণ করে মাতৃভাষাকে ভালোবাসার প্রেরণা পাবে মানুষ। বাঙালি জাতি নিজের রক্ত দিয়ে সারা বিশ্বকে শিখিয়ে দিয়ে গেল ভাষাকে ভালোবাসার মন্ত্র। মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য লুকিয়ে আছে দেশকে ভালোবাসা, দেশের মানুষকে, দেশের সংস্কৃতিকে ভালোবাসা, তার জীবনাচারকে ভালোবাসা আর তার জন্যে গর্ববোধ করা।

উপসংহারঃ- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত একুশে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে গৃহীত হওয়ার ব্যাপারটি আমাদের তথা বাংলাদেশের জন্যে অত্যন্ত গৌরবের। কারণ, একুশে ফেব্রুয়ারি থেকে বাঙালি জাতি আত্মমর্যাদার চেতনা লাভ করেছিল; লাভ করেছিল মাতৃভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দানের প্রেরণা এবং অনুভব করেছিল ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা।

২। সন্ধি বিচ্ছেদ করুনঃ

ক. সূর্যোদয় = সূর্য + উদয়

খ. সংবাদ = সম্ + বাদ

গ. চলচ্চিত্র = চলৎ + চিত্র

ঘ. নয়ন = নে + অন

ঙ. আশ্চর্য = আ + চর্য

৩। বিপরীতার্থক শব্দ লিখুনঃ

ক. আবির্ভাব = তিরোভাব

খ. কৃত্রিম = আসল

গ. তিরস্কার = পুরষ্কার

ঘ. নিন্দা = স্তুতি

ঙ. উপকার = অপকার

৪। এক কথায় প্রকাশ করুনঃ

ক. যা পূর্বে ছিল এখন নেই = ভূতপূর্ব

খ. আকাশে চরে যে = খেচর

গ. অহংকার নেই যার = নিরহংকার

ঘ.  উপকারীর অপকার করে যে = কৃতঘ্ন

ঙ. মৃত্যু পর্যন্ত = আমৃত্যু

ইংরেজি প্রশ্ন সমাধানঃ

১. Write down your name and address in English.

I am Md. Zakir Khan. I am from Dhaka. I live in 69/3 B, Mirpur -10, Dhaka-1216.

২. Write down five Sentence on Bangladesh.

  1. i) The officially name of Bangladesh is the People’s Republic of Bangladesh.
  2. ii) It is the eighth-most populous country in the world.

iii) The Capital of Bangladesh is Dhaka.

  1. iv) Bangladesh is bordered by the Indian states of West Bengal to the west and north, Assam to the north, Meghalaya to the north and northeast, and Tripura and Mizoram to the east.
  2. v) The per capita income of Bangladesh is now 2064 US Dollar.

৩. Translate into Bengali :

  1. He teaches us English. = তিনি আমাদের ইংরেজি শেখান।
  2. The cow gives us milk. = গাভী আমাদের দুধ দেয়।
  3. He goes to School. = সে স্কুলে যায়।
  4. Give me a glass of water. = আমাকে এক গ্লাস পানি দাও
  5. He killed himself. = সে আত্মহত্যা করেছিল।

৪. Make sentence with the following words:

Honest = Sumon is an honest man.

Book = I like to read several book.

River = River is a natural  beauty in the world.

Bangladesh =We love Bangladesh.

Drink = We drink water everyday in our life.

গণিত প্রশ্ন সমাধানঃ-

১। কমলা ও তার জমজ দুই বোনের বয়সের সমষ্টি ২৩ বছর।  জমজ বোন দের প্রত্যেকের বয়স ৬ বছর হলে, কমলার বয়স কত?

উত্তরঃ কমলার বয়স ১১ বছর

২। ১০০ টাকার ৫০%  সমান কত?

উত্তরঃ ৫০

৩। একটি দ্রব্যের বিক্রয় মূল্য ৯২ টাকা, এতে বিক্রেতার লাভ হয় ১৫%। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?

উত্তরঃ দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ৮০ টাকা

৪। ৬০° কোণের  সম্পূরক কোণের মান কত ?

উত্তরঃ ১২০°

সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন সমাধানঃ-

১। বাংলাদেশের দুটি নদীর নাম লিখুন।

উত্তরঃ  সুরমা ও পদ্মা

২। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এর কাজ কি?

উত্তরঃ বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের কার্যাবলী নিচে উল্লেখ করা হলোঃ-

দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক উৎস থেকে চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্র সামগ্রী সংগ্রহ করা। সংগৃহীত  চলচ্চিত্র ফিল্ম-ভল্টে  নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায়  রক্ষণাবেক্ষণ এবং চলচ্চিত্র সামগ্রী সংরক্ষণ  করা।

দুসপ্রাপ্য ও ধ্রুপদী চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্র সামগ্রী মুদ্রণ, পুন:মুদ্রণ করা।

দীর্ঘকালীন চলচ্চিত্র সংরক্ষণ এবং শিক্ষা ও  গবেষণার জন্য সংগৃহীত চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্র সামগ্রী সময়ে সময়ে পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনে পুন:মুদ্রণ করা।

চলচ্চিত্র সংক্রান্ত গ্রন্থ, সাময়িকী, প্রকাশনা, গানের বই, পোস্টার, প্রচারপত্র, স্থিরচিত্র, পান্ডুলিপি ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা।

আর্কাইভের সংগ্রহ থেকে নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।

আর্কাইভ এবং চলচ্চিত্র সংক্রান্ত বিশেষায়িত লাইব্রেরিতে চলচ্চিত্রসেবীদের পড়াশুনার সুযোগ সমপ্রসারণ করা।

চলচ্চিত্রের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ, সভা ইত্যাদির আয়োজন করা।

দেশে  বিদেশী  ছবি এবং বিদেশে  দেশীয়  ছবি প্রদর্শনের জন্য  চলচ্চিত্র  উৎসবের  আয়োজন করা।

চলচ্চিত্র সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণা ও প্রকাশনার ব্যবস্থা করা।

৩। বাংলাদেশের দুজন বিখ্যাত কবি/সাহিত্যিকের নাম লিখুন।

উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম ও ফররুখ আহমেদ

৪. বাংলাদেশের জাতীয় পিতার নাম ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাম কি?

উত্তরঃ  বাংলাদেশের জাতীয় পিতার নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বর্তমানে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাম শেখ হাসিনা।

৫। বাংলাদেশের রাজধানীর নাম কি? এটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

উত্তরঃ  বাংলাদেশের রাজধানীর নাম ঢাকা। এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।

আরো পড়ুনঃ-

Download From Google Drive

Download

Download From Yandex

Download

👀 প্রয়োজনীয় মূর্হুতে 🔍খুঁজে পেতে শেয়ার করে রাখুন.! আপনার প্রিয় মানুষটিকে “send as message”এর মাধ্যমে শেয়ার করুন।

হয়তো এই গুলো তার অনেক কাজে লাগবে এবং উপকারে আসবে।