পদার্থ বিজ্ঞানের ১০০ টির বেশি ছোট প্রশ্ন উত্তর

0
76

পদার্থ বিজ্ঞানের ১০০ টির বেশি ছোট

প্রশ্ন এবং উত্তর

১)পদার্থের ক্ষুদ্রতমা কণা – অণু ।

২)পদার্থের স্থায়ী মূল কণিকা – ইলেকট্রোন, প্রোটন ও নিউট্রন ।

৩)তেজস্ক্রিয় রশ্মিতে থাকে – আলফা, বিটা ও গামা কনিকা ।

৪)পদার্থের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা – পরস্পর সমান ।

৫)পৃথিবী ও উহার নিকটস্থ মধ্যকার বস্তুর আকর্ষণ বলকে বলে – অভিকর্ষ বল ।

৬)বরফ গলনের সুপ্ত তাপ – ৮০ ক্যালরি ।

৭)০০ সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় শব্দের গতি – ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড ।

৮)সুর্যোদয় ও সুর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখায় – লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে ।

৯)সূর্য থেকে পৃথিবীতে আগত রশ্মি – সৌর রশ্মি।

১০)পৃথিবী ঘূর্ণায়নের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না – মধ্যাকর্ষণের জন্য ।

১১)প্রেসার কুকারে রান্না তারাতারি হওয়ার কারন – উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় ।

১২)চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয় – কালো রংয়ের কাপে (কাল রংয়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি)।

১৩)চা দেরীতে ঠান্ডা হয় – সাদা রংয়ের কাপে (সাদা রংয়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম)।

১৪)শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি – কঠিন মাধ্যমে।

১৫)শব্দের গতি সবচেয়ে কম – বায়বীয় মাধ্যমে ।

১৬)তিনটি মূখ্য বর্ণ – লাল, সবুজ ও নীল ।

১৭)৪ডিগ্রি সে: তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব – সর্বোচ্চ ।

১৮)ইউরেনিয়াম, নেপচুনিয়াম প্লুটোনিয়াম হল – তেজস্ক্রিয় পদার্থ ।

১৯)রাবারের স্থিতিস্থাপকতা কম এবং লোহা বা ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতা বেশি ।

২০)উন্নত ধরণের বিস্ফোরোক আবিষ্কার করে ধনী হয়েছিলেন – আলফ্রেড নোবেল ।

২১)ডিজিটাল ফোনের প্রধান বৈশিষ্ঠ – ডিজিটাল সিগনাল ডেটাবেজ ।

২২)পীট কয়লা – ভিজা ও নরম ।

২৩)তাপ আটকা পড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বলে – গ্রীনহাউজ ইফেক্ট।

২৪)পরমাণু ভেঙ্গে প্রচন্ড শক্তি সৃস্টি করাকে লে – ফিশন বিক্রিয়া ।

২৫)বায়ু এক প্রকার – মিশ্র পদার্থ ।

২৬)লোহার উপর দস্তার প্রলেপ দেয়াকে বলে – গ্যালভানাইজিং ।

২৭)আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে – মরিচিকায় ।

২৮)পানি বরফে পরিণত হলে – আয়তনে বাড়ে ।

২৯)পানি কঠিন, তরল ও বায়বীয় অবস্থায় থাকতে পারে ।

৩০)বৈদুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরী – টাংস্টেন দিয়ে ।

৩১)CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ধ্বংস করে – ওজন স্তর ।

৩২)ডুবোজাহাজ হতে পানির উপরে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয় – পেরিস্কোপ ।

৩৩)ব্যাটারি হতে পাওয়া যায় – ডিসি কারেন্ট ।

৩৪)সর্বোত্তম তড়িৎ পরিবাহক – তামা ।

৩৫)ডিনামাইট আবিস্কার করেন – আলফ্রেড নোবেল ।

৩৬)পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয় – গ্রাফাইট ।

৩৭)শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলে – সুপারসনিক বিমান ।

৩৮)বায়ুতে বা শুণ্য স্থানে শব্দের গতি – ৩x১০১০ সে. মি. ।

৩৯)কাঁচা লোহা, ইস্পাত ও কোবাল্ট – চুম্বক পদার্থ ।

৪০)আলোর নিয়মিত প্রতিফলণ ঘটে – দর্পনে ।

৪১)স্টিফেন হকিন্স একজন – পদার্থবিদ ।

৪২)পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি – জীবাস্ম জালানি ।

৪৩)জীব-জগতের সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি – অতি বেগুণী রশ্মি ।

৪৪)এক্সরে এর একক – রনজেন ।

৪৫)তেজস্ক্রীয়তার একক কুরি ও এর আবিস্কারক – হেনরী বেকুইরেল ।

৪৬)রেডিয়াম আবিস্কার করেন – মাদাম কুরি ।

৪৭)পারমাণবিক বোমা উৎপন্ন হয় – ফিশন পদ্ধতিতে।

৪৮)হাইড্রোজেন বোমা উৎপন্ন হয় – ফিউশন পদ্ধতিতে ।

৪৯)পারমানবিক ওজন = প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন।

৫০)প্লবতা সূত্র আবিস্কার করেন – আর্কিমিডিস ।

৫১)দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিস্কার করেন – গ্যালিলিও।

৫২)গতির সূত্র আবিস্কার করেন – নিউটন ।

৫৩)আপেক্ষিকতার সূত্র আবিস্কার করেন –  আলবার্ট আইনস্টাইন ।

৫৪)মৌলিক রাশিগুলো হলো – দৈর্ঘ, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন ক্ষমতা ও পদার্থের পরিমাণ।

৫৫)লব্ধ রাশি – বল, ত্বরণ, কাজ, তাপ, বেগ প্রভৃতি ।

৫৬)ভেক্টর রাশি – সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, তড়িৎ প্রাবল্য, মন্দন, ভেদাঙ্ক ইত্যাদি ।

৫৭)স্কেলার রাশি – দৈর্ঘ, ভর, দ্রূতি, কাজ, তড়িৎ বিভব, সময়, তাপমাত্রা ইত্যাদি ।

৫৮)পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হল – এস. আই. S. I. ।

৫৯)ভর হচ্ছে পদার্থের – জড়তার পরিমাণ।

৬০)এই মহাবিশ্বে পরম স্থিতিশীল এবং পরম গতিশীল বলে কিছু নেই ।

৬১)নিউটনের গতি সূত্র – তিনটি ।

৬২)নিউটনের বিখ্যাত বই – “ন্যচারাল ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা” ।

৬৩)বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব করা হয় – কিলোওয়াট / ঘন্টা kw/h ।

৬৪)১ অশ্ব শক্তি (H.P.) = ৭৪৬ ওয়াট বা ৫৫০ ফুট – পাউন্ডাল শক্তি ।

৬৫)মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পারিক আকর্ষণ বল হল – মহাকর্ষ বল ।

৬৬)পৃথিবী ও বিশ্বের যে কোন বস্তুর মধ্যকার পারস্পারিক আকর্ষণ বল হল – অভিকর্ষ বল ।

৬৭)অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান – পৃথিবীর কেন্দ্রে শূন্য, বিষুবীয় অঞ্চলে সবচেয়ে কম, মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশী ।

৬৮)চন্দ্র পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান পৃথিবীর মানের ১/৬ ভাগ ।

৬৯)পৃথিবীর মুক্তিবেগ – ১১.২ কি.মি./সে. ।

৭০)মঙ্গল গ্রহের মুক্তি বেগ – ৫.১ কি.মি./সে. ।

৭১)গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র কয়টি – তিনটি ।

৭২)ইস্পাত ও রাবারের মধ্যে বেশী স্থিতিস্থাপক – ইস্পাত ।

৭৩)বস্তুর কম্পনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় – শব্দ ।

৭৪)পানির তরঙ্গ, আলোক তরঙ্গ, তাপ তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ ইত্যাদি হলো – অনুপ্রস্থ বা আড় তরঙ্গ ।

৭৫)শব্দ তর তরঙ্গ হলো – অনুদৈর্ঘ বা লাম্বিক তরঙ্গ ।

৭৬)পানিতে ঢিল ছুড়লে চলমান যে তরঙ্গের সৃষ্ঠি হয় – অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ।

৭৭)টানা তারের সূত্র কয়টি – তিনটি ।

৭৮)শব্দ সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজন – জড় মাধ্যমের ।

৭৯)শুন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ – শুন্য ।

৮০)স্বাভাবিক অবস্থায় বাতাসে শব্দের দ্রুতি – ৩৩২ মি./সে. ।

৮১)স্বাভাবিক অবস্থায় পানিতে শব্দের দ্রুতি – ১৪৫০ মি./সে. ।

৮২)স্বাভাবিক অবস্থায় লোহায় শব্দের দ্রুতি – ৫২২১ মি./সে. ।

৮৩)শব্দের বেগের উপর প্রভাব আছে – তাপ,আদ্রতা ও বায়ু প্রবাহ ।

৮৪)শ্রাব্যতার সীমা – ২০-২০০০০ Hz।

৮৫)ইনফ্রাসোনিক বা শব্দোত্তর বা অশ্রুতি শব্দ – ২০ Hz ।

৮৬)আল্ট্রাসোনিক বা শব্দোত্তর শব্দ – ২০০০০ Hz এর বেশী ।

৮৭)প্রতিধ্বনি শোনার জন্য সময়ের প্রয়োজন – ০.১ সে. ।

৮৮)প্রতিধ্বনি শোনার জন্য প্রতিফলক ও উৎসের মধ্যে নুন্যতম দূরত্ব – ১৬.৬ মিটার ।

৮৯)কোন শব্দ মানুষের কর্ণকুহরে প্রবেশ করলে বধির হয় – ১০৫ ডেসিবেলের উপর সৃষ্ঠ শব্দ ।

৯০)বাদুড় চলাচলের সময় কি প্রয়োগ করে – প্রতিধ্বনি ।

৯১)তাপ এক প্রকার – শক্তি ।

৯২)পানির স্বাভাবিক স্ফুটনাংক স্বাভাবিক চাপে -১০০০ সেলসিয়াস ।

৯৩)প্রেসার কুকারের মূলনীতি – চাপে পানি বেশী তাপমাত্রায় ফুটে ।

৯৪)ভূ-পৃষ্ঠ হতে যত উপরে উঠা যায় তত কমে – স্ফুটনাংক ।

৯৫)বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা নির্ভর করে – রঙের উপর ।

৯৬)শীতকালে রঙিন কাপড় আরামদায়ক ।

৯৭)গরমকালে সাদা কাপড় আরামদায়ক ।

৯৮)পেট্রোল ইঞ্জিন আবিস্কৃত হয় – ১৮৮৬ ইং সালে ।

৯৯)ফ্রেয়নের রাসায়নিক নাম – ডাই-ক্লোরো ডাই ফ্লোরো মিথেন ।

১০০)ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলে সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে – (- ৪০০ )তাপমাত্রায় ।

১০১)স্বাভাবিক অবস্থায় একজন মানুষের উপর প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে বায়ুর চাপ –১৫ পাউন্ড ।

১০২)ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে দাগ কাটা থাকে –(৯০০ -১১০০)F।

১০৩)থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহারের কারণ – অল্প তাপে আয়তন বৃদ্ধি পায় ।

১০৪)আলো এক প্রকার – শক্তি ।

১০৫)আলোক মাধ্যম – তিনটি ,১)স্বচ্ছ,২)ঈষদ স্বচ্ছ ও ৩)অস্বচ্ছ ।

১০৬)প্রতিফলনের সূত্র – দুইটি ।

১০৭)প্রতিসরণের সূত্র – দুইটি ।

১০৮)পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত – দুটি ।

১০৯)সাদা আলো সাতটি বর্ণের সমাহার ।

১১০)লেন্স দুই প্রকার ১)অপসারী,২)অভিসারী।

১১১)দৃষ্টির ত্রুটি মোট চারটি –১) হ্রস্ব দৃষ্টি,২)দীর্ঘ দৃষ্টি,৩)বার্ধক্য দৃষ্টি ও ৪)বিষম দৃষ্টি বা নকুলা ।

১১২)তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি – লাল আলোর ।

১১৩)তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম – বেগুনী আলোর ।

১১৪)বিক্ষেপণ কম – লাল আলোর ।

১১৫)বস্তুর বর্ণ পদার্থের কোন ধর্ম নয়, এটি আলোকের একটি ধর্ম ।

১১৬)নীল কাচের মধ্য দিয়ে হলুদ ফুল – কালো দেখায় ।

১১৭)লাল আলোতে গাছের পাতা – কালো দেখায় ।

১১৮)নীল কাচের মধ্য দিয়ে সাদা ফুল – নীল দেখায় ।

১১৯)লাল ফুলকে সবুজ আলোয় – কালো দেখায়।

১২০)সূর্য রশ্মি শরীরে পড়লে – ভিটামিন ডি তৈরী হয় ।

১২১)সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ – গামা রশ্মি ।

১২২)সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ – বেগুণী রশ্মি ।

১২৩)শরীরের ত্বকে ভিটামিন তৈরীতে সাহায্য করে – পরিমিত অতিবেগুণী রশ্মি ।

১২৪)আমাদের দর্শনাভূতির স্থায়িত্বকাল – ০.১ সেকেন্ড ।

১২৫)যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিকনির্দশক ধর্ম আছে – চম্বুক পদার্থ ।

১২৬)চৌম্বকের চুম্বকত্ব একটি – ভৌত ধর্ম ।

১২৭)চৌম্বকের প্রকারভেদ – ১)প্রাকৃতিক চৌম্বক,২)কৃত্রিম চৌম্বক ও ৩)তড়িৎ চৌম্বক ।

১২৮)চৌম্বক পদার্থ – টিন, আয়রণ,কপার,কোবাল্ট,নিকেল ইত্যাদি।

১২৯)চৌম্বক পদার্থের প্রকারভেদ –১)ডায়া চৌম্বক,২)প্যারা চৌম্বক ও ৩)ফেরো চৌম্বক।

১৩০)মেরু অঞ্চলে চৌম্বকের আকর্ষণ –সবচেয়ে বেশী ।

১৩১)পৃথিবীর চৌম্বক উত্তর মেরু আসলে – পৃথিবীর ভৌগলিক দক্ষিণ ।

১৩২)তড়িৎ দুই প্রকার – ১)স্থির তড়িৎও ২)চল তড়িৎ ।

১৩৩)চল তড়িৎ দুই প্রকার – ১)এ.সি.তড়িৎ২)ডি.সি.তড়িৎ ।

১৩৪)আমদের দেশে তড়িৎ প্রবাহ সেকেন্ডে দিক পরিবর্তন করে – ৫০ বার ।

১৩৫)ডি.সি.প্রবাহ পাওয়া যায় – ব্যাটারি থেকে ।

১৩৬)রোধ পরিবাহীর চারটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে – ১)উপাদান,২)দৈর্ঘ্য,৩)প্রস্থচ্ছেদ ও ৪)তাপমাত্রা

১৩৭)মাধ্যম তিন প্রকার – ১)পরিবাহী,২)অর্ধপরিবাহী,৩)অন্তরক বা অপরিবাহী।

১৩৮)রাডার (Radar) হলো – Radio Detection and Ranging ।

১৩৯)অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা পাস এর কাজে ব্যবহৃত হয় –পূর্ণঅভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ।

১৪০)ইলেকট্রনিক্স এর যাত্রা শুর – ট্রানজিস্টরেগ আবিস্করের সময় ।

১৪১)ক্যামেরার লেন্সের পেছনের পর্দায় আস্তরণ দেয়া হয় – সিজিয়াম দিয়ে

Download From Google Drive

Download

Download From Yandex

Download

👀 প্রয়োজনীয় মূর্হুতে 🔍খুঁজে পেতে শেয়ার করে রাখুন.! আপনার প্রিয় মানুষটিকে “send as message”এর মাধ্যমে শেয়ার করুন। হয়তো এই গুলো তার অনেক কাজে লাগবে এবং উপকারে আসবে।